সংবাদদাতা :হাজীগঞ্জ ৪ নং কালচোর ইউনিয়নের ওরপুর গ্রামের মোঃ মুকবুল হোসেন চৌধুরীর ছেলে সারিরিক প্রতিবন্ধি মোশারেফ হোসেন চৌধুরীর বসত ঘরে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার গভীর রাতে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় হামলার শিকার হন প্রতিবন্ধি ও তার পরিবারের ৫ জন কে হামলা করে আহত করেছে দূর্বৃতরা।
আহত দের কে স্থানিয় হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।আহত প্রতিবন্ধি ও তার পরিবারের সদস্য চট্রগ্রাম মহিলা লীগের নেত্রী মোসাঃ জান্নাতুল ফেদৌসী জানান, শনিবার রাত দুইটার দিকে আমি আমার বাবার ঘড়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। এ সময় একটি মাইক্রোবাস ও দুটি মোটরসাইকেল যোগে ১০ থেকে ১২ জন মুখোশপরা দুর্বৃত্ত ঘরেড় পেছন দিয়ে জানালা ও ভেঙে ভেতরে ঢুকে। আমাদের কে গুমন্ত অবস্থায় মরিচের গুরে পানিতে মিসিয়ে আমাদের গুমন্ত সকেলের নাকে মোখে নিক্ষেপ করে এবং এলোপাতরি আমাদের কে দেশীয় অশ্রদিয়ে আগাত করে। হামলায় আহত হয়েছেন, সারিরিক প্রতিবন্ধি মোঃ মোশারেফ হোসেন(৪৯) মোঃ মুকবুল হোসেন চৌধুরী(৮৫)শামছুন্নাহার (৮০) মোসাঃ জান্নাতুল ফেদৌসি (৩৮)তাসলিমা বেগম(৩৫)
তিনি ববলেন আমাদের ডাক চিৎকার সুনিয়া এলাকা বাসি চোটে আসেন। এমত অবস্থায় দ্রুত তারা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হাজ্বীগঞ্জ থানার এস আই মোঃ মহিউদ্দীন। আহতদের মদ্যে প্রতিবন্ধির পিতা মোঃ মুকবুল হোসেন বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের কে হত্যার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানান। তিনি বলেন এঘটনা আমার দুইছেলের একই বৌ মোসাঃ সিউলি বেগম ভারাটিয়া সন্ত্রাসী দের মাধ্যমে ঘটিয়েছে। তার কন্যা চট্রগ্রাম মহিলা লীগের নেত্রী মোসাঃ জান্নাত বলেন আমার ভাবি মোসাঃ সিউলি বেগম আমার এক ভাই মোঃ মভিন চৌধুরীর সাথে সামাজিক ভাবে ১৯৯৩ সালে বিয়ে তে আবদ্ধ হন। এবং সেই ভায়ের মৃত্যু হলে পরবর্তীতে আমার আরেক ভাই মোঃ মোতাহের হোসেনের কাছে ২০১৬ সে বিয়ে বসেলেও সে আমার এ ভাই কে বাড়িতে থাকতে দেয়নি অনেক বার তাকে ও মারার সেষ্টা করেন ব। তবে সিউলি বেগমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি এ ঘটনার সাথে জরিত না, এবং আমরা এ বিষয় কিছুই জানিনা,
