চাঁদপুর জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে চাঁদপুর লঞ্চঘাট এলাকাস্থ জনৈক মোহাম্মদ আলীর বাসা থেকে তিন শিশু সন্তানসহ মাকে উদ্ধার করা হয়েছে। এরা হলো পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর থানার ছোট আমতলী গ্রামের গাউছ খানের স্ত্রী পারভীন আক্তার (৩২) ও তিন সন্তান জিনিয়া আক্তার (১২), জুঁই আক্তার (৭) এবং মোঃ সাকিবুল হাসান (৫)। জেলা ডিবি পুলিশের এসআই আহসানুজ্জামান লাবু এ অভিযান পরিচালনা করেন। জনৈক রবিনের সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্কের টানে পারভীন তার ওই তিন সন্তান নিয়ে স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে আসে।
জানা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে পারভীন আক্তারকে খুঁজে পায়নি বলে পিরোজপুরের নাজিরপুর থানায় ডায়েরি করে তার পরিবার। এর পরের দিন পারভীনের মোবাইল নম্বর থেকে ২ লাখ টাকা দাবি করে তাদের পরিবারের কাছে ফোন করা হয়। নাজিরপুর থানা পুলিশ তদন্ত করে দেখতে পায় নাম্বারটি চাঁদপুর ব্যবহার হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে চাঁদপুর জেলা ডিবি পুলিশের এসআই বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এদেরকে উদ্ধার করে।
এসআই আহসানুজ্জামান জানান, তিনি গতকাল মঙ্গলবার সকালে পারভীনের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তার টিম নিয়ে লঞ্চঘাট এলাকায় অবস্থান নেন। তখন পারভীনের দু সন্তানকে চা সিগারেটের জন্যে দোকানে পাঠায় রবিন। ওই শিশুদ্বয়কে তখন ডিবি পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের মা পারভীন আক্তারের অবস্থান সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হয় ডিবি পুলিশ। এদিকে সন্তানদের ঘরে ফিরতে দেরি দেখে পারভীন ঘর থেকে বের হয়ে দোকানের কাছে আসলে ডিবি পুলিশ তাকে আটক করে। আর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রবিন পালিয়ে যায়।
জানা গেছে, মাস দু এক আগে পারভীনের সাথে রবিনের মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। আর এ প্রেমের টানেই সে স্বামীর সংসার ছেড়ে চাঁদপুর চলে আসে। চাঁদপুর এসে তারা লঞ্চঘাট এলাকায় উক্ত মোহাম্মদ আলীর বাসা ভাড়া নেয়।
