
মিজানুর রহমান রানা
চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ গতকাল সোমবার মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের ১০ সদস্যকে চোরাই মোটর সাইকেলসহ আটক করে।
জানা যায়, রোববার রাতভর শহরের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় চাঁদপুর মডেল থানার এস. আই. বিমল কর্মকার, এ. এস. আই. শ্রী নন্দন সরকার সহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের ১০ সদস্যকে আটক করে। এদের মধ্যে ফরিদগঞ্জ পাইকপাড়া শেখবাড়ির আলী হোসেন শেখের ছেলে মু. মুরাদ হোসেন শেখ, ফরিদগঞ্জ রাড়ীগাঁও গ্রামের রমজান আলী মিজির ছেলে হুমায়ুন কবির মিজিকে বাগাদী চৌরাস্তা এলাকা একটি চোরাইকৃত মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের অন্য ৮ সদস্য পুরাণবাজারের দণি দাসদী গ্রামের মৃত আবুল বাশার মালের ছেলে শরীফ ইসলাম মাল, শহরের কোড়ালিয়া রোডের
সেলিম গাজীর ছেলে মো. রানা গাজী, আলিমপাড়ার গোপাল কর্মকারের ছেলে প্রিতম কর্মকার, কোড়ালিয়া রোডের মন্টু হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদার, নাজিরপাড়ার ইসমাইল দেওয়ানের ছেলে সাত্তার দেওয়ান, বাবুরহাটের হান্নান খানের ছেলে নাইম খান, হোসেনপুরের ইদ্রিস সর্দারের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন শাওন, মুন্সেফপাড়ার অ্যাড. ভিবতি মজুমদারের ছেলে বাঁধন মজুমদারকে আটক করা হয়।
আটককৃত মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের ১০ সদস্যকে এ যাবত কালের চাঁদপুর থেকে চুরি হওয়া মোটর সাইকেলগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে আটককৃতদের তথ্যানুযায়ী পুলিশ অভিযান চালিয়ে আরো একটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করে। জানা গেছে, এই ১০ মোটর সাইকেল চোর সিন্ডিকেটের সাথে ফরিদগঞ্জের একটি বিশাল চক্র জড়িত রয়েছে। আর সেখানেই চুরি হওয়া সকল মোটর সাইকেলগুলো রেখে বিক্রি করা হয়।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে এদের কাছ থেকে অনেকগুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে এখন এসব বিষয় জানানো যাচ্ছে না। তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বাকি সদস্যদের ধরার ব্যাপারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদেরকে আটকের পরই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।
শিরোনাম:
সোমবার , ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
