২২ জুন জেলা পর্যায়ে (২০১৭ ও ২০১৮) বছরের সম্মাননা পদক প্রদান অনুষ্ঠান

শেখ আল মামুন ॥ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃক জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি দেশব্যাপী জেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ “জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” চালু করেছেন। ২০১৩ সাল থেকে জেলা পর্যায়ে ১০টি ক্যাটাগরিতে ৫ জন গুনি শিল্পী ও সংগঠককে চুড়ান্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মাননা পদক প্রদান করে আসছে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, চাঁদপুর জেলা শাখার ব্যবস্থাপনায় ২০১৩ সাল থেকে জেলা পর্যায়ে “শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” চালু করেছে। ইতিমধ্যে চাঁদপুরের ২০ জন সৃজনশীল সংগঠক ও শিল্পীকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ “জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” প্রদান করা হয়েছে। আগামি ২২ জুন শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জন্য মনোনীত ১০ জন সাংস্কৃতিক সংগঠক ও শিল্পী এ সম্মাননা পাচ্ছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি উপস্থিত থাকবেন। চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি মোঃ মাজেদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বিপিএম, পিপিএম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল।
২০১৭ সালের জন্য “জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” পাচ্ছেন; কাজী শাহাদাত (সৃজনশীল সংগঠক), গৌরাঙ্গ সাহা (সঙ্গীত), শরীফ চৌধুরী (নাট্যকলা), গোবিন্দ মন্ডল (যাত্রা পালা) ও পীযুষ কান্তি রায় চৌধুরী (আবৃত্তি)।
২০১৮ সালের জন্য “জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” পাচ্ছেন; মুখলেছুর রহমান মুকুল (সাহিত্য), চম্পক সাহা (সঙ্গীত), চন্দন সরকার (নাট্যকলা), বাবুল কৃষ্ণ বিশ্বাস (যন্ত্র সঙ্গীত) ও রাখাল চন্দ্র মজুমদার (সৃজনশীল সংগঠক)।
এছাড়া ২০১৩ সালে “জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” পেয়েছেন; আকরাম খান (নাট্যকলা), ইতু চক্রবর্তী (সঙ্গীত), ভারতী ম-ল (যাত্রাপালা), অনিমা সেন চৌধুরী (নৃত্যকলা) ও সাধন সরকার (চিত্রকলা)।
২০১৪ সালে “জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” পেয়েছেন; স্বপন সেন গুপ্ত (যন্ত্র ও ধ্রুপদী সঙ্গীত), মোঃ হানিফ পাটোয়ারী (নাট্যকলা), কৃষ্ণা সাহা (সঙ্গীত), হারুন আল রশিদ (লোক সঙ্গীত) ও রুমা সরকার (নৃত্যকলা)।
২০১৫ সালে “জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” পেয়েছেন; শান্তি ভুষন রক্ষিত (সঙ্গীত), মজিবুর রহমান দুলাল (নাট্যকলা), সুরজিৎ চক্রবর্তী (যন্ত্র সঙ্গীত), কেশব চন্দ্র সূর (যাত্রা শিল্প) ও আলম পলাশ (ফটোগ্রাফি)।
২০১৬ সালে “জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” পেয়েছেন; জীবন কানাই চক্রবর্তী (সৃজনশীল সংগঠক), অজয় ভৌমিক (আবৃত্তি ও উপস্থাপনা), শহীদ পাটোয়ারী (নাট্যকলা), রূপালী চম্পক (সঙ্গীত) ও প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেন (সৃজনশীল সংস্কৃতি গবেষক)।
মূলতঃ এটি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সম্মাননা। বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মাধ্যমে দেশব্যাপী সংস্কৃতি অঙ্গনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রতি বছর জেলা পর্যায়ে ৫ জনকে মনোনীত করা হয় “জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক” প্রাপ্তির জন্য।