শাহরাস্তিতে মাদক, বাল্য বিয়ে, ইভটিজিং বিরোধী র‍্যালী ও আলোচনা সভা সম্পন্ন

হাসানুজ্জামান
“যুবক তুমি যেও নাকো হেরে, সুষ্ঠ জীবন গড় তুমি মাদক সেবন ছেড়ে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাদক, বাল্য বিয়ে, ইভটিজিং ও জঙ্গীবাদ বিরোধী র‍্যালী এবং আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগ।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার সুচীপাড়া ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় সুচীপাড়া উত্তর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগ কর্তৃক আয়োজিত মাদক, ইভটিজিং বিরোধী একটি র‍্যালী স্থানিয় বাজার প্রদক্ষিন করে। র‍্যালী শেষে পথসভায় শিক্ষার্থীদের উদ্যেশ্যে বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মোঃ হুমায়ুন কবির লিটন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রভাষক আবুল কালাম,আবদুল কাদের, মিজানুর রহমান, নুরুল হক।
ওই দিন বেলা ২ টায় একই আয়োজকদের উদ্যোগে সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এবিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম এলএলবি। তিনি উপস্থিত রাজনৈতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নৈতিক শপথ বাক্য পাঠ করান।
সুচীপাড়া বাজার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবু ইউসুফ মিলনের সঞ্চালনায় ও ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শাহ আলমের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবীবউল্লাহ্, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন, প্রচার সম্পাদক আহম্মদ হোসেন ভূঁইয়া, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা নজরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মজুমদার, আবু তাহের মেম্বার, ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি তাজুল ইসলাম। সার্বিক সহযোগিতা করেন, কাউসার হোসেন পিংকু, মিজানুর রহমান জীবন,তাহসান জুয়েল,তানভীর হাসান সাগর,আবু তাহের বাবুল মিয়াজী, জুয়েল, ফরহাদ হোসেন ও শেখ রাশেল।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে সমাজপতিদের এগিয়ে আসতে হবে আর ইভটিজিং এবং বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে সুশীল সমাজের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সকল শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যতই চেষ্টা করি আপনাদের নির্বিক সহযোগিতা আমাদের একান্ত প্রয়োজন।বর্তমান দেশ বাহাদুর শেখ হাসিনা মাদক মুক্ত সমাজ আর নারী ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করণে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। দেশ ও জাতির উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আপনাদের নিরলস ভূমিকা গুত্বপূর্ণ। ছেলে মেয়েদের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল ফোন তাদের হাতে না দেয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান তিনি।