মেঘনার দুই জায়গায় ৩৫ ড্রেজারে বালু উত্তোলন,সরকারি রাজস্ব ব্যাক্তির পকেটে ——

প্রায় ৭ বছর যাবৎ বন্ধ রয়েছে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের রাজস্ব বিভাগের বালু মহাল ইজারা।উচ্চ আদালতের আদেশে নাকি বালু মহাল ইজারা দেয়া বন্ধ রয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা যায়।কিন্তু চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলন থেমে নেই। বৈধ পন্থায় বালু উত্তোলন প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে সরকারের শত শত কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত করে বালু কাটার টাকা কাদের পকেটে তা চিহ্নিত করা হয়নি।ফলে অবিরাম চলছে চাঁদপুরের হাইমচরে, হরিনা,ইব্রাহিমপুর,বহরিয়া,কোড়ালিয়া চর,রাজরাজেশ্বর চরের মাথা,লগ্নিমারা চর, মতলবের এখলাসপুরের চর কাশিম।
সরজমিনে দেখা যায়,রাজরাজেশ্বর চরের মাথায় ৫ টি এবং এখলাসপুর চর কাশিম এলাকা দিয়ে ৩০টি মিনি ড্রেজার বসিয়ে বিপুল পরিমান বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছে।দেখার যেন কেউ নেই?। জনগনের কাছে প্রশ্ন, সরকারের বৈধ রাজস্ব আদায়ের পথ বন্ধ করে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ নদ নদীর খনিজ সম্পদ বালু এভাবে বিক্রি করে সমূদয় টাকা ব্যক্তি পর্যায় ভাগভাটোয়া ।জনগুরুত্বপূর্ন বিষয়টির প্রতি রাষ্ট্র ও উচ্চ আদালতের খতিয়ে দেখা এবং ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে মনে করেন সচেতন মহল। ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে যাত্রীবাহী একটি লঞ্চে ঢাকা যাবার সময় মেঘনায় বালু উত্তোলনের ছবি তোলা।ছবি ও প্রতিবেদন -বিশেষ প্রতিনিধি