মাঈনুল হোসেন খান নিখিল রাজনীতিতে আসলেন যেভাবে

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সপ্তম কংগ্রেসে সাধারণ সম্পাদক পদে আগ্রহী ছিলেন সাতজন। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত হন মতলব উত্তরের কৃতী সন্তান মাইনুল হোসেন খান নিখিল। তাঁর গ্রামের বাড়ি মতলব উত্তরে হলেও ঢাকার রাজনীতিতে তিনি প্রতিষ্ঠিত। গতকাল শনিবার তাকে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মাইনুল হোসেন খান নিখিলের জন্ম মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের হরিণা গ্রামে। তার বাবা মরহুম মোফাজ্জল খান দুর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। চাচা মরহুম মনির হোসেন খান ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। চাঁদপুরের সন্তান হলেও তিনি ঢাকার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিক বৃহত্তর লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন।

ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়ে ১৯৮৭ সালে তিনি যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং তৎকালীন ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের একটি আহ্বায়ক কমিটিতে তিনি যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হন। সে সময় যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। ২০০১ সালের দিকে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হন। এরপর ২০১২ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি মতলব উত্তরের নিশ্চিতপুর ডিগ্রি কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৫ আসনে (কাফরুল ও মিরপুর) আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্যে কাউন্সিলরদের কাছ থেকে নামের প্রস্তাব চাওয়া হলে সাতজনের নাম আসে। তারা হলেন : মাইনুল হোসেন খান নিখিল, মহিউদ্দিন মহি, অ্যাডঃ বেলাল হোসেন, সুব্রত পাল, মনজুরুল আলম শাহীন, ইকবাল মাহমুদ বাবলু ও বদিউল আলম বদি।

এরপর নিজেদের মধ্যে সমঝোতার জন্যে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাদের নির্দেশ দেন। পরে তারা সমঝোতায় ব্যর্থ হলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শক্রমে মাঈনুল হোসেন খান নিখিলের নাম ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের।