বেঁচে থাকার আর্তনাদ তোমরা শুনতে কি পাও? আমিনুলকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।

মোজাম্মেল হক,সিএনবি,কক্সবাজার:-
বাঁচতে চাই একজন আমিনুল ইসলাম।সে PNH রোগে আক্রান্ত হয়ে তার শরীরের “রেড ব্লাড সেল” উৎপাদন ক্ষমতা ক্রমাগত হারিয়ে যাচ্ছে অথ্যাৎ তার শরীরের রক্তের উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়ে গিয়ে দিন দিন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন।যার বর্তমান পরিমাণ ৮১.১% দাাঁড়িয়ে আছে।চিকিৎসারত ডাক্তার বলেছেন তাঁর হাতে সময় আছে ছয় মাস যার ইতি মধ্যে তিন মাস গত হয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায়। চিকিসারত ডাক্তার বলেছেন এখনো পর্যন্ত অপারেশনের মাধ্যমে তাকে সুস্থ করার সম্ভাবনা ৯৫% রয়েছে।আমিনুল ইসলাম বরিশাল জেলার, আগৈলঝারা থানার, গৌহার গ্রামের মোঃ হারুন অর রশিদ এর মেঝ ছেলে। সে ২০০৭ সালে ছয়গ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০০৯ সালে বরিশাল তিতুমীর কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটা আই.টি ফার্মে ম্যানেজার হিসেবে কর্তব্যরত আছে।

পরিবারের ৪ সদস্যের মধ্যে সে মেঝ।বাবা ব্রেইন স্ট্রোক করে বিচানায় পড়া।একমাত্র তার উপার্জনে ছোট দুই ভাই-বোনের লেখা পড়া সহ পরিবারের সকল দায়িত্ব বহন করতেন এর মধ্যে তাঁর এই অসুস্থতা পরিবারে ডেকে এনেছে মহাসংকট। তাঁর পরিবারে রয়েছে ৬ মাসের একটি মেয়ে শিশু।  বর্তমান অবস্থায় তার অপারেশনের জন্য প্রায় ৪০,০০০$(চল্লিশ হাজার ডলার) অথ্যাৎ বাংলাদেশের প্রায় ৩৫-৩৭ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। যেটা আমিনুলের পরিবারের পক্ষে বহন করা প্রায় অসম্ভব।  এত টাকা খরচ করে চিকিৎসা করার সামর্থ নেই জেনে ডাক্তারের বেঁধে দেওয়া ৬ মাস সময়ের ৩ মাস এরই মধ্যে অতিবাহিত করে ফলেছে সে তাঁর ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায়। কোন প্রকার সুরহা না পেয়ে জীবন যুদ্ধে হার মেনে নিয়েছিল আমিনুল ইসলাম।

হঠাৎ তার জীবনে আশার আলো হয়ে জ্বলে উঠলো সারা বাংলাদেশে অবস্থানরত ০৭ ও ০৯ সালের একটি ব্যাচের গ্রুপ। অথ্যাৎ সারা দেশে যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা ২০০৭ সালে এসএসসি এবং ২০০৯ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছিলেন তাদের একটি ব্যাচ মিলে এই গ্রুপটি সংগঠিত হয়েছে। সে গ্রুপের একজন সদস্য হলেন আমিনুল ইসলাম।তাঁর কঠিণ রোগের কথা গ্রুপে শেয়ার করলে ঐ গ্রুপের সকল ছাত্র- ছাত্রী তাকে আশ্বাস দেয় যে তাঁর পাশে থাকবে।
যখন থেকে সে ০৭ ও ০৯ ব্যাচের গ্রুপে তাঁর অসুস্থার কথা শেয়ার করেছেন তখন থেকে সে বাঁচার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে। তার বিশ্বাস আছে তার বন্ধুরা তাকে নিরাশ করবেন না। আর সেই স্বপ্ন,সেই বিশ্বাস থেকেই সে তার অসুস্থতার বিষয়টি এই গ্রুপে শেয়ার করেছিলেন। সে ০৭ ও ০৯ ব্যাচের যারা দায়িত্বশীল রয়েছে তারাও তাকে আস্বস্ত করেছে তার পাশে থাকার, কথা দিয়েছেন তার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার।সারা দেশে বর্তমান তাদের সদস্য সংখ্যা ৭০,০০০ এর মধ্যে আছে। যারা প্রত্যেকে ইতি মধ্যে তাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। শুরু করে দিয়েছে তাদের টাকা সংগ্রহের কাজ। সিন্ধান্ত নিয়েছে এত সহজে তারা তাদের এই বন্ধুকে পৃথিবীতে থেকে বিধায় নিতে দিবে না। এবং ইতি মধ্যে ৫ দিনে সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় সংগ্রহ হয়েছে ৮ লক্ষ ৬৮ হাজর ১৮৯ টাকা।

যেহেতু আমিনুল ইসলামের হাতে সময় বেশী নেই এবং এই মাসের মধ্যে তাকে ভারতে যেতে হবে।তাই সকল ০৭ এবং ০৯ দায়িত্বশীল ছাত্র-ছাত্রীরা সিন্ধান্ত নিয়েছে আগামী ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত বন্ধু আমিনুল এর জন্য টাকা সংগ্রহ করবে। এবং তাকে অতি দ্রুত ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একজন বাংলাদেশের নাগরীক হিসেবে বাংলাদেশের সকল নাগরীকের দায়িত্ব তাঁর জীবন বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসা।আপনার একদিনের মোবাইল খরচ,এক দিনের বন্ধুদের আড্ডার খরচ,এক দিনের ভাল নাস্তার খরচ,এক দিনের বিলাশবহুলতার খরচ বাঁচিয়ে দিতে পারে একজন আমিনুলের প্রাণ, ফিরিয়ে দিতে পারে তাঁর মেয়ের ভবিষ্যৎ,ফিরিয়ে দিতে পারে তাঁর অসহায় পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। সুতরাং আসুন আমিনুলের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে যায়।

সাহায্য পাঠানোর মাধ্যমঃ-Account Name: Mohammad Ashraful Islam, A.B Siddique Bhuiyan, Md Saiful Islam (joint account) Account No: 101-151-0109530 Motijheel Local branch, DhakaDutch Bangla Bank Limited ————————————–Bkash No 1: 01634 845590 (Agent)Bkash No 2:  01711 102409 (Personal)
Bkash No 3: 01916 570567 (Personal)Bkash No 4: 01833 445685 (Personal)Bkash No 5: 01673 394705 (Personal)Bkash No 6: 01959 130009 (Personal)BKash No 7: 01822 913892 (Personal)BKash No 8: 01844 074094 (Personal)Bkash No 9:  01811 633610 (Personal)Rocket No 1: 018116336100 (Personal)Rocket No 2: 017489020365 (Personal)Rocket No 3: 018780265001 (Personal)