বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব ধর্মের মানুষের সমান সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি চমৎকার উদাহরণ স্থাপন করেছে। এ দেশে সব ধর্মাবলম্বী সমান অধিকার ভোগ করে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করেন।
সোমবার (২০ মে) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনও ধর্মকে উপেক্ষিত মনে করি না। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশের মানুষ মর্যাদা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করবে। এই সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ব সর্বত্র জয়ী হবে, এবং এটি আমাদের লক্ষ্য।’
সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদকে বিশ্বব্যাপী সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদে জড়িত ব্যক্তিরা শুধুই জঙ্গি এবং তাদের কোনও ধর্ম, কোনও দেশ ও সীমান্ত নেই। সরকার সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করতে কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমরা দেশকে দারিদ্র্য নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ থেকে মুক্ত করার জন্য কাজ করছি। দারিদ্র্যের হার হ্রাস পেয়েছে ২১ শতাংশ এবং অতিদরিদ্রের হার ১১ শতাংশ।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম (সিএইচটি) বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশাই সিং, ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, দীপংকর তালুকদার, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ধূমকেতু চাকমা, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কঙ্গজুরি মারমা, বাংলাদেশ বুদ্ধ কৃষ্টি প্রচারক সংঘের সভাপতি সাংহাইক সুধানন্দ মহাথের, আন্তর্জাতিক বুদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ধর্মমমিত্রা মহাথের, শাক্কামোনি বুদ্ধ, বিহারের প্রধান প্রগতিয়ানন্দ মহাথেরো, নোবো শালবন বিহারের অধ্যক্ষ শিলভদ্রো মহাথেরো, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সুনন্দ প্রিয় ভিক্কু এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভিসি প্রফেসর কনক কান্তি বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।