ফরিদগঞ্জে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে বাড়ির চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি:
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১০নং গোবিন্দপুর দক্ষিন ইউনিয়নের লাড়–য়া মিজি বাড়ির রহমত উল্যাহ গংরা একই বাড়ির প্রতিবেশীদের চলাচলের একমাত্র পথ বন্ধ করে দিয়েছে। এনিয়ে রফিকুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট থানায় লিখত অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এদিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া বাড়ির একাধীক পরিবার বেকায়দায় পড়েছে। হাঁটার পথ বন্ধ করার মত নিষ্ঠুর এই কাজটি করেছে আ’লীগের নামধারী মো. রহমত উল্যাহ ও তার ছেলেরা।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, ‘ লাড়–য়া মিজি বাড়ির রফিকুল ইসলাম গংদের সাথে একই বাড়ির মো. রহমত উল্যাহ(৫০), মো. সাইফুল ইসলাম জহির(২৮), ফরিদ হোসেন (২৫), মো. উজ্জল (২০) ও মো. আল আমিন গংদের সম্পত্তিগত বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে রহমত উল্যাহ গংরা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ১৪/১৫টি মামলা করে। ওই মামলার অধিকাংশই আদালতে মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। এছাড়া সম্পত্তিগত বিরোধ নিয়ে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধীক শালিস বৈঠক হলেও রহমত উল্যাহ ওই সালিশী সিদ্ধান্তেরও কর্ণপাত করছে না। বরং তারা আ’লীগের নাম দিয়ে অবৈধ প্রভাবখাঁটিয়ে সমগ্র বাড়িতে আশান্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছে।
এবিষয়ে মো. রফিকুল ইসলাম এ প্রতিনিধিকে বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে পূর্ব শত্রুতা বশতঃ বিবাদীর ছেলে আল আমিন আমার বসতঘরের পাশে থাকা খড়ের গাধায় আগুণ ধরিয়ে দেয়। যা প্রত্যক্ষ করে দুই শিশু। পরে আসে পাশের মানুষ এসে আগুণ নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় বসত ঘর। অপরএক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ‘বিবাদীরা আমাদের এজমালি চলাচলের রাস্তায় জোরপূর্বক বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়। কেন চলাচলের পথে বেড়া দিয়েছি এ বিষয়ে জানতে গেলে রহমত উল্যাহ গংরা আমাদেরকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে এবং আমাদেরকে আগুনে পুড়িয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এনিয়ে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবী করছি।’
এ বিষয়ে রহমত উল্যাহ ও তার ছেলে ফরিদ হোসেন এ প্রতিনিধিকে, ‘ আমরা দলীয় লোক। নিজেদের জায়গায় মধ্যে বেড়া দিয়েছি। এতে কার চলাচলের পথ বন্ধ হলো না হলো তা আমার দেখার বিষয় না।’ অপরএক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, আমাদের কেউ খড়ের গাধায় আগুণ লাগাই নি। আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।’