ফরিদগঞ্জে রুপসায় আগুন দিয়ে গৃহবঁধু হত্যা

রফিকুল ইসলাম বাবু।

মাত্র এক মাস পূর্বে বিয়ের পিঁড়িতে বসা স্বামীর সাথে ঝগড়া করে কেরোসিন ঢেলে নিজ গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করলো তাহমিনা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবঁধু। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। অগ্নীকা-ে মৃত্যুর ঘটনা চাঁদপুর ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাহমিনার স্বামী দ্বীন ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। জানাযায়, ফরিদগন্জ উপজেলার রুপসা ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের বদরুদ আলী আমিন বাড়ির মৃত আ: লতিফের ছেলে দ্বীন ইসলামের সাথে ৭নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের ৮ং ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া গ্রামের কামাল হোসেনের বড় মেয়ে তাহামিনা আক্তারের এক মাস তিন দিন পূর্বে পূর্বে ইসলামি শরীয়াহ মোতাবেক পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে হয়। ২০মে সোমবার সন্ধ্যায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাহামিনা তার বাবার বাড়িতে যেতে চাইলে দ্বীন ইসলামের বাদাদেয় এর জেরধরে তাহমিনাকে তার স্বামি মারধর করে যানায় তাহমিনার মা পাখি বেগম। এই ঘটনার জের ধরে তাহমিনা গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে এবং সর্বশেষ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স যোগে নেয়ার পথে দাউদকান্দি এলাকায় তার মৃত্যু হয়। তাহমিনার বাবা কামাল হোসেন জানায়, সোমবার তিনি মেয়ের গায়ের আগুন দেয়ার কথা শুনে তিনি চাঁদপুর সদর হাসপাতালে গেলে তাহমিনা তাকে সে নিজে গায়ে আগুন জানায় । সে জানায় তার মেয়ের মানসিক সমস্যা রয়েছে। তাকে নিয়মিত ঔষধ খাওয়াতে হয়। স্বামীর বাড়ির থাকার কারণে সে ঔষধ খেতে পারে নি। এব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রকিব জানান, তাহমিনার বাবা কামাল হোসেন থানায় অপমৃত্যু দায়ের করেছেন। লাশ পোস্ট মর্টেমের জন্য চাঁদপুর পাঠানো হয়েছে। এদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে চাঁদপুর পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান, এএসপি (হাজিগঞ্জ) সার্কেল আফজাল হোসেন ও ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আ: রকিব, ওসি (তদন্ত) অহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।