ফরিদগঞ্জে মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে আপত্তিকর কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ ফরিদগঞ্জে আপত্তিকর ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সদরস্থ একটি মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মো. নজরুল ইসলাম ও অত্র প্রতিষ্ঠানের এক মহিলা শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। এ মর্মে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ঐ ভবনের বাসিন্দা তানিয়া ইয়াসমিন।
অভিযোগে জানা গেছে, স্থানীয় কাছিয়াড়াস্থ সাবেক পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের চতুর্থতলা ভাড়া নিয়ে উক্ত পরিচালক একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা করে আসছেন। গত বেশ কয়েকদিন যাবত অভিযুক্তদেরকে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হতে দেখেন উক্ত মাদ্রাসার নারী বাবুর্চি ও ভবনের বিভিন্ন ভাড়াটিয়া। তাদেরকে সতর্ক করে দেয়ার পরও অভিযুক্তরা আপত্তিকর কর্মকান্ড চালিয়ে যেতে থাকেন।
এরই এক পর্যায়ে ২০ মার্চ মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২ ঘটিকায় উভয়ে পুনরায় অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়। এ সময় ভবনের কয়েকজন নারী ভাড়াটিয়া তাদের একটি কক্ষে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
খবর পেয়ে, সংশ্লিষ্ট থানার এসআই ফারুকুল ইসলাম ও সঙ্গীয় পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে যান। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সামনে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনার বর্ণনা দেন। এতে অভিযুক্ত নারী এক পর্যায়ে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও কোনো অভিযোগ করেননি। অন্যদিকে, হাফেজ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেন। ফলে, আইনী ব্যবস্থা নিতে জটিলতা দেখা দেয়।
উপস্থিত এসআই ফারুকুল ইসলাম থানার ওসিকে ঘটনা জানালে, তিনি গতকাল বুধবার সকালে অভিযুক্ত ও প্রত্যক্ষদর্শীদেরকে থানায় যেতে বলেন। যথারীতি তারা সকলে থানায় উপস্থিত হলে ওসি সকলের কথা শুনেন ও বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এদিকে অভিযোগকারী তানিয়া ইয়াসমিন তার অভিযোগে জানান, অভিযুক্তরা ও তাদের পক্ষের লোকজন তাকে ও স্বাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ওসি শাহ আলম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় কোনো আইনী ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। তবে তাদেরকে দু’দিনের মধ্যে থানায় ডেকে নিয়ে উক্ত মাদরাসার মহিলা বিভাগ পরিচালনা করা, না করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।