ফরিদগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান পদে আগামী রবিবার ১৬ প্রার্থী ভোটযুদ্ধে

                                                                     ৩ লাখ ৯ হাজার ৮৩৯ জন ভোটার ॥ ১১৮টি কেন্দ্র

মো .শিমুল হাছান:
নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ। আগামী রবিবার অনুষ্ঠান হবে ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান (সংরক্ষিত) পদে ১৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্য মাঠে থাকবে। ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নের ৩ লাখ ৯ হাজার ৮ শ’ ৩৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ভোট গ্রহণের জন্য ১১৮টি ভোট কেন্দ্রে ৭৪৫টি কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। পুরুষ ভোটার ১৫৭৮৫৫ জন এবং মহিলা ভোটার সংখ্যা ১৫১৯৮৪ জন।
এদিকে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাড. জাহিদুল ইসলাম রোমান (নৌকা) ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন। নৌকার সমর্থনে আয়োজিত প্রতিটি জনসভা ও গণসংযোগে ব্যাপক নেতা-কর্মী সম্পৃক্ত ছিলেন। এছাড়া ফরিদগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তোফায়েল আহম্মেদ ভূঁইয়া আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন। তিনি দু’একটি গণসংযোগ করলেও, এনপিপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল গণিকে (আম) গণসংযোগ করতে একেবারেই দেখা যায়নি।
ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান রানা (টিয়া পাখি), আওয়ামী লীগের নেতা ও সাংবাদিক এনামূল হক খোকন পাটওয়ারী (টিউবওয়েল), ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জিএস তছলিম (বই), কামরুজ্জামান সবুজ (তালা), মো. পাবেল পাটওয়ারী (উড়োজাহাজ), মো. আবু সুফিয়ান শাহীন (চশমা), জাকির হোসেন বাবু (মাইক) প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান (সংরক্ষিত) প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রীনা নাছরিন (হাঁস), উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রেবেকা সুলতানা স্মৃতি(কলস), ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সেলিনা আক্তার শেলী (প্রজাপতি), মাজুদা বেগম (ক্যামেরা), রেহানা বেগম (ফুটবল), হালিমা বেগম (পদ্মফুল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।