পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ চাঁন্দ্রায় প্রাতারকের কাছে জিম্মি বিধবা নারী

শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চাঁন্দ্রা ইউনিয়নে প্রতারক বাবুল গাজীর কাছে জিম্মি অসহায় বিধবা নারী হোসনেয়ারা বেগম। পাওনা টাকা চাওয়ায় পাওনাদারকে হুমকী দেওয়ার ঘটনা ও পাওনা টাকা টাকা ফেরত পেতে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনাটি সমাধানের লক্ষে ডিবি পুলিশের উপ পরিচালক আলআমিন উভয় পক্ষকে ডিবি কার্যালয়ে হাজির হবার জন্য নোটিশ করলেও বিবাধী বাবুল গাজী সময়মত উপস্থিত হয়নি।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, চাঁন্দ্রা চৌরাস্তা দক্ষীন বালিয়া মৃত আব্দুল গাজীর ছেলে বাবুল গাজী গত ১৫ সালের১৩ আগষ্ট মাসে তার পাশের গ্রাম
বাখরপুরের মৃত ছত্তার মৃধার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমের কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা হাওলাত নেয়। বুবুল ২টি ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর দেয়ে বিধবা হোসনেয়ারার কাছ থেকে টাকা নেয়। ৩ বছর ঘুরিয়ে পাওনা টাকা না দিয়ে পুরো টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারা করতে থাকে। পাওনা টাকা চাওয়ায় পাওনাদার হোসনেয়ারা বেগমকে বিভিন্ন হুমকী দেয় বাবুল গাজী ও তার লোকজন।
এই ঘটনায় হোসনেয়ারা বাদি হয়ে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করার পর ডিবির এসআই আলআমিন ঘটনাটি অবগত হয়ে বিবাদীকে ডিবি অফিসে আসার জন্য নোটিশ প্রধান করে।
বিধাবা নারী হোসনেয়ার জানায়, বেশ কয়েক বছর পূর্বে স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্ট করে সন্তান বড় করেছি। স্বামীর রেখে যাওয়া টাকার প্রতি লোভ পরে পাশের এলাকার প্রতারক বাবুল গাজী। সে ২টি ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর দিয়ে টাকা হাওলাতের নামে ৩ লক্ষ টাকা নেয়। কিন্তু টাকা না দিয়ে পুরো টাকা আতœসাৎ করার চেষ্টা করে।
পাওনা টাকা চাওয়ায় বাবুল গাজী অন্য লোক পাঠিয়ে রাতে ঘরের ভিতর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভয়ভীতি দেখায় যাতে করে আমরা এলাকা থেকে অন্য জায়গায় চলে যাই। পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অভিযোগ করায় বুধবার দুপুরে বাবুল গাজী তার এক সন্ত্রাসী বাহীনী রুবেলেকে পাঠিয়ে বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাকে ও আমার ছেলেকে আঘাত করে আহত করে।
এই ব্যাপারে অভিযুক্ত বাবুল গাজী জানায়, টাকা দেওয়া নেওয়ার বিষয়টি দলিল লেখক ফজলুল হক মাস্টার জানেন। টাকা নেওয়ার পরে ১লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দিয়েছি। বাকি টাকা পাওনা আছে।
বাবুলকে সাথে নিয়ে ফজলুল হক মাস্টারের কাছে গেলে তিনি জানান, বাবুল গাজী ২টি ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর দিয়ে ৩ লক্ষ টাকা নিয়েছে। কিন্তু টাকা দেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি টাকা দিয়ে থাকে তাহলে বাবুল গাজী প্রমান রাখেনি কেন।

এদিকে বিধাব নারি তার পাওনা টাকা ফেরত পেতে ও তার জীবনের নিরাপত্তা পেতে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে অবহিত করে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছে।