চাঁদপুর হাইমচরে গায়বেী মসজিদের দান বাক্সে ভাংচুর

                                           মসজিদ কমিটির পদপদবি নিয়ে বিরোধ
চাঁদপুর হাইমচর উপজেলার ২নং আলগী উঃ ইউনিয়নের ভিঙ্গুলিয়া গ্রামের ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মল্লিক বাড়ী জামে মসজিদ কমিটিরতে পদপদবি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ দুই পক্ষের মাঝে দন্দ সৃষ্টি হয়ে আসছিলো। মসজিদ কমিটিতে পদ পদবী না পাওয়ায় দুই পক্ষের মাঝে বেশ কয়কেবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২নং আলগী উঃ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে বহিরাগতরা মসজিদের ভিতরে ঢুকে সন্ত্রাসী কায়দায় দান বাক্সে ভাংচুর‌ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মসজিদ কমিটির সভাপতি সোবহান মল্লিক বাদী হয়ে ওয়ার্ড মেম্বার ইমরান হোসেন সহ কয়কেজনকে অভিযুক্ত করে হাইমচর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ভঙ্গি্ুিলয়া গ্রামের মঙ্গুল সম্রাটের আমলের ৫০০ বছরের পুরানো গায়েবী মসজিদ হিসেবে পরিচিত
ঐতিহ্যবাহী মল্লিক বাড়ী জামে মসজিদের পাশে অজানা এক অলির মাজার থাকায় দূরদূরান্ত থেকে অনেক মানুষ এখানে ছুটে এসে মাজার জেয়ারতের পর নামাজ আদায় করে। এছাড়া মাজারের উসিলায় মানুষ মসজিদের উন্নয়ন কাজের জন্য আর্থিক সহযোগিতা করে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি মুখলেছুর রহমান (সোবহান মল্লিক), সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর মল্লিক, ক্যাশিয়ার বেলায়েত মল্লিক ও উপদেষ্টা সাহজাহান মল্লিক ২ বছর পূর্বে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বহিরাগতরা পদ-পদবী না পেয়ে বিরোধিতা করে আসছে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি মুখলেছুর রহমান জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ এমরান হোসেন ও বহিরাগত লোকজন মসজিদ কমিটিতে পদ-পদবী না পেয়ে বিরোধিতা করছে।
তারা মাজার ও মসজিদের উন্নয়ন কাজের টাকা আত্মসাৎ করার জন্য মসজিদ কমিটিতে ঢুকার চেষ্টা চালায়।
এই কারণে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে শুক্রবার জুম্মার নামাজের দিন মেম্বারের নেতৃত্বে বহিরাগতরা মসজিদের ভিতরে ঢুকে দান বাক্স ভাঙচুর করে। যারা মসজিদের ভিতরে ঢুকে এ ঘটনাটি করেছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানায়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোঃ এমরান হোসেনের মুঠোফোনে ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।