চাঁদপুর মাতৃপীঠ স্কুলের ছাএী বাবা,মা ফেইজবুক কে কেন্দ্রকরে মেয়ের আত্বহত্যা

রফিকুল ইসলাম বাবু
চাঁদপুর মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাএী প্রীয়ন্তী রায় বাহের খলিশাডুলি নিবাসী বাবা মা ফেইজবুক চালাতে না দেওয়ায়  বাবা মার সাথে অভিমান করে আত্বহত্যা করেছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, বাহের খলিশাডুলি এলাকার রায় বাড়ির ঔষধ ব্যবসায়ী হিমাংশু রায়ের মেয়ে প্রিয়ন্তী রায় (১৫) মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। ৩০ মার্চ রাতে প্রিয়ন্তী রায় মোবাইলে ফেইজবুক চালালে তার শিক্ষিকা মা বিষয়টি টের পেয়ে যান। পরে তাকে পড়ালেখা না করে ফেসবুক চালানোর অপরাধে বকাঝকা করেন। এক পর্যায়ে তার ঔষধ ব্যবসায়ী পিতা হিমাংশু রায় প্রিয়ন্তীর কাছ থেকে মোবাইলটি নিয়ে আসেন। এই নিয়ে প্রিয়ন্তী তার বাবা মায়ের সাথে অভিমান করে। ৩১ মার্চ প্রতিদিনের ন্যায় প্রিয়ন্তী বিদ্যালয়ের পোশাক পরে বিদ্যালয়ে চলে আসে। বিকেলে বিদ্যালয় থেকে বাসায় ফিরে পোশাক পরিবর্তনের নাম করে বাথরুমে প্রবেশ করে আত্মহত্যার পথ বেচে নেয়। প্রিয়ন্তীর সমবয়সী কাকাতো ভাই একই সাথে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করলে বাথরুমের ভেতর থেকে প্রিয়ন্তীর কোন সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি।পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হলে তারা বাথরুমের দরজা ভেঙ্গে প্রিয়ন্তীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রিয়ন্তী রায়কে মৃত বলে ঘোষনা করেন। চিকিৎসক জানান, প্রিয়ন্তী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। আমরা বিষয়টি ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশকে অবগত করেছি। প্রিয়ন্তীর পরিবার জানায়, তাদের মেয়ে স্বাভাবিকভাবেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছে।