চাঁদপুর মাছঘাটে ইলিশও বেশি দামও বেশি

স্টাফ রিপোর্টার:।।এখন আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশের ভরপুর মওসুম।তা সত্ত্বেও চাঁদপুরের নদ নদীতে ইলিশের আকাল চলছে।লোকাল মাছ কম,সাগরে আহরিত মাছে ঠাসা চাঁদপুর মাছঘাট।টানা গত চারদিন হাজার হাজার মন ইলিশ বিক্রির জন্য বিভিন্ন আড়তে আসছে এমন কথাই জানালেন ঘাটের মৎস্য ব্যবসায়িরা।
সরজমিনে পর্যবেক্ষণে জানা যায়,মাছের সাইজ বুঝে এবং নামার ও লোকাল, তাজা না বরফের এ হিসাবে মাছের দাম কম বেশি উঠা নামা করছে। ঘাটে মাছের দাম কম হবে এই আশায় অনেকে মাছ কিনতে এসে দাম শুনে হতাশ হচ্ছে।এখনও মিডিয়াম আকারের ইলিশের কেজি ৭/৮’শ টাকা কেজি।শুধুমাত্র ৩/৪’শ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি সাড়ে ৩ থেকে সাড়ে ৪’শ টাকা। এক/ দেড় কেজি সাইজের ইলিশের কেজি ১২ থেকে ১৫’শ টাকা, দাম কমল কই?
ইলিশের আমদানিও বেশি,দামও বেশি। এমন জিজ্ঞাসা সাধারন মানুষের। ছোট রব চোকদারের আড়তের কাছে মাছ বিক্রেতা খন্দকার মুকবুল হোসেন বলেন,ভর সিজন হওয়া সত্ত্বেও ইলিশের দাম তুলনামূলক কমে নাই।
১১ সেপ্টম্বর মঙ্গলবার চাঁদপুর ঘাটে প্রচুর ইলিশ দেখা যায়।হাজী আঃ মালেক খন্দকার,কালু ভূঁইয়া,শবেবরাত হাজী,ইকবাল বেপারি,কুদ্দুছ খা ও উত্তম দের আড়তে হাতিয়া ও দৌলত খা এলাকার প্রচুর ইলিশ ক্রয় বিক্রয় হয়েছে। নান্টু – বাদির,দেলু খা,আনোয়ার গাজি,খালেক,ছানা,বাবুল হাজী,মালেক খন্দকারসহ আরো অনেক চালানি সেই মাছ আড়ত থেকে কিনে প্যাক করে দেশের বিভিন্নস্থানে পাঠিয়ে দিচ্ছে।
দৌলত খার মাছের ব্যাপারি মোঃ ইউসুফ ও হাতিয়ার মফিজ মাঝি জানান,১৩/১৪ মন মাছ খন্দকারের আড়তে দিয়েছেন এবং ১৯ হাজার টাকা মন দরে বিক্রি করেছেন।তিনি বলেন এসব ইলিশ সাগরের।ভোলার নদীতে মাছ নাই।
ভরপুর ইলিশ আমদানিতে কেন? মাছের দাম কমছে না, এমন প্রশ্নর জবাবে চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারন সম্পাদক হাজী শবেবরাত সরকার জানান,গতকাল চাঁদপুর ঘাটে এক/দেড় হাজার মন ইলিশ ক্রয় বিক্রয় হয়েছে।মাছের দামও কমেছে।মঙ্গলবার ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা মন দরে অর্থ্যা ৪’শ সোয়া ৪’শ টাকা কেজি ইলিশ বিক্রি হয়েছে।আগের চেয়ে ইলিশের দাম কমেছে।
সমিতির পরিচালক খালেক বেপারি জানান,লোকাল নদীর মাছ না পাওয়ায় চাঁদপুর ঘাট গোয়ালন্দ হয়ে গেছে।এখানের সব মাছ সাগরের। অভিযানের আগে সাগরের কিছু মাছ চাঁদপুর আসছে।আমরা ব্যবসায়িরা সুবিধায় নাই।