চাঁদপুর জেলায় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার পাসের হার ৯২.৭০% জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১শ’ ৩৩

বছরের শেষ দিন ২০১৯ সালের জেএসসি (জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট) ও জেডিসি (জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। গতকাল ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এক নজরে সারাদেশের ফলাফলের চিত্র তুলে দেন। এরপর সারাদেশের স্কুল ও মাদ্রাসার মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অষ্টম শ্রেণীর ফলাফল একযোগে প্রকাশিত হয়। চাঁদপুর জেলায় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় মোট পাসের হার ৯২.৭০%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১শ’ ৩৩ জন।

চাঁদপুর জেলার ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, জেএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৩৭ হাজার ৮শ’ ৮৪ জন। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩৪ হাজার ৯শ’ ৫৭ জন। পাসের হার ৯২.২৭ %। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮৪ জন। আর জেডিসিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১০ হাজার ৫শ’ ৪৪ জন। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯ হাজার ৪শ’ ৪০ জন। পাসের হার ৯৪.২৭%। জিপিএ-৫ পেয়ে ৪৯ জন।

জেএসসি পরীক্ষায় উপজেলা ভিত্তিক ফলাফলের পরিসংখ্যান হচ্ছে : চাঁদপুর সদর উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৬ হাজার ৮শ’ ৭৪ জন। পাস করেছে ৬ হাজার ৪শ’ ৫৭ জন। পাসের হার ৯৩.৯৩%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২শ’ ৬৬ জন। কচুয়া উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৫ হাজার ৭শ’ ২ জন। পাস করেছে ৫ হাজার ৩শ’ ৪১ জন। পাসের হার ৯৩.৬৭%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২শ’ ২৫ জন। হাজীগঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৫ হাজার ৫শ’ ৭২ জন। পাস করেছে ৪ হাজার ৬শ’ ৯৭ জন। পাসের হার ৮৪.২৯%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১শ’ ১৬ জন। হাইমচর উপজেলায় পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৪শ’ ৫৪ জন। পাস করেছে ১ হাজার ১শ’ ৫৩ জন। পাসের হার ৭৯.২৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন। শাহরাস্তি উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৪ হাজার ৯৫ জন। পাস করেছে ৩ হাজার ৯শ’ ১৩ জন। পাসের হার ৯৫.৫৬%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১শ’ ৪ জন। ফরিদগঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৫ হাজার ৩শ’ ৯৯জন। পাস করেছে ৫ হাজার ২শ’ ৬ জন। পাসের হার ৯৬.৪২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১শ’ ৫৯ জন। মতলব দক্ষিণ উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৩ হাজার ৩শ’ ৯০ জন। পাস করেছে ৩ হাজার ৭৫ জন। পাসের হার ৯০.৭০%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৪ জন। মতলব উত্তর উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৫ হাজার ৩শ’ ৯৮ জন। পাস করেছে ৫ হাজার ১শ’ ১৫ জন। পাসের হার ৯৪.৭৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১শ’ ১২ জন।

জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যান হচ্ছে : চাঁদপুর সদর উপজেলায় পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৪শ’ ৮১ জন। কৃতকার্য হয়েছে ১ হাজার ৩শ’ ৩৬ জন। পাসের হার ৯০.২১%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। কচুয়া উপজেলায় পরীক্ষার্থী ২ হাজার ১শ’ ৫৪ জন। পাস করেছে ২ হাজার ৭৭ জন। পাসের হার ৯৬.৪২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন। হাজীগঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৪শ; ৮০ জন। পাস করেছে ১ হাজার ৩শ’ ৩৯ জন। পাসের হার ৯০.৪৭%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। হাইমচর উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৫শ’ ৩২ জন। পাস করেছে ৫শ’ জন। পাসের হার ৯৩.৯৮%। শাহরাস্তি উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৯শ’ ৭৮ জন। পাস করেছে ৯শ’ ১৮ জন। পাসের হার ৯৩.৯৭%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। ফরিদগঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষার্থী ২ হাজার ৫শ’ ১৪ জন। পাস করেছে ২ হাজার ৪শ’ ১৭ জন। পাসের হার ৯৬.১৪%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮জন। মতলব দক্ষিণ উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৮শ’ ২ জন। পাস করেছে ৭শ’ ৫৯ জন। পাসের হার ৯৪.৬৩%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩জন। মতলব উত্তর উপজেলায় পরীক্ষার্থী ৬শ’ ৩ জন। পাস করেছে ৫শ’ ৯৪ জন। পাসের হার ৯৮.৫০%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।