চাঁদপুরে দি গ্রামার এডুকেশন হোম কোচিং সেন্টারে অভিযান প্রতিষ্ঠান সিলগালা

শাহরিয়ার খান কৌশিক,

চাঁদপুর বিপনিবাগ দি গ্রামীণ এডুকেশন হোম কোচিং সেন্টারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়েছে।
সরকারের নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে কোচিং সেন্টারে ছাত্র ছাত্রীদের পড়ানোর অপরাধে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে।
বুধবার রাত ৮ টায় বিপনিবাগ খান ভিলার তৃতীয় তলায় কোচিং সেন্টারে অভিযান চালানো হয়।

জানা যায়,গ্রামীণ এডুকেশন হোম কোচিং কোচিং সেন্টারের মালিক মোহাম্মদ জুবায়ের ২ বছর পূর্বে খান ভবনের তৃতীয় তলা ভাড়া নিয়ে চাঁদপুর গ্রামার স্কুল ও গ্রামীণ এডুকেশন হোম নামে কোচিং সেন্টার দিয়ে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে আসছে।
এই কোচিং সেন্টারে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক ছাত্র ছাত্রী পড়াশোনা করে।
মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী আলহাজ্ব ডাক্তার দীপু মনি এমপি ২৭ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া সত্ত্বেও তারা সরকারের নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে তাদের কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যায়।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আল মামুন জামান চাঁদপুরে বেশ কয়েকটি কোচিং সেন্টারের উপর অভিযান চালায়।
তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার চাঁদপুর গ্রামার স্কুল এন্ড দিক জামার এডুকেশন হোম কোচিং সেন্টারে অভিযান চালানো হয়েছে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালিয়ে দেখেন কোচিং সেন্টারের প্রতিটি রুমে ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করছে। কোচিং সেন্টারে মোট ৫ জন শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদানে ব্যস্ত ছিলেন।
এই অবস্থা দেখতে পেয়ে জেলা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ প্রতিষ্ঠানটি মালিক জুবায়ের ও তার সহধর্মিণীর মুচলেকা নিয়ে অবশেষে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি), চাঁদপুর সদর অমিত চক্রবর্তী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আল মাহমুদ জামান জানায়, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সকল ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন সরকার। কিন্তু সরকারের আইন অমান্য করে এই কোচিং সেন্টার ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং করানোর অপরাধে এই প্রতিষ্ঠানটি গত ২ মার্চ পর্যন্ত সিলগালা করে দেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানের মালিক আমাদের অঙ্গীকারনামা দিয়েছে আর সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে প্রতিষ্ঠান চালাবে না।
কোচিং সেন্টারের উপর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।