চাঁদপুরে তুচ্ছ ঘটনায় সংখ্যালঘু পরিবারের ৩০টি বসতঘর ভাঙচুর,আহত ১৫

শাহরিয়ার খান কৌশিক,

চাঁদপুর পুরানবাজার পালপাড়ার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু পরিবার সহ ৩০পরিবারের বসতঘর ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা।
সন্ত্রাসীদের হামলায় মহিলা পুরুষ সহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে।

রবিবার রাত ১০ টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কয়েক দফা এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরই চাঁদপুর পুরান বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শহীদ হোসেনের নেতৃত্বে এস আই জাহাঙ্গীর আলম, পলাশ বড়ুয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কয়েক দফা এই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় সংখ্যালঘু পরিবারের প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন।
খ্রিস্টানদের দ্বারা পরিচালিত প্রান্ত জনগোষ্ঠী ক্ষুদ্র প্রকল্পের মাধ্যমে পাল পাড়ায় অসহায় ও দরিদ্র প্রতিবাদের আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য এলাকায় একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে ১০ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটিতে জিলানী মালের স্ত্রী মিনু আক্তারকে সভাপতি করা হয়।
ওই কমিটির সভাপতি না হতে পেরে হাসনাত খানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম দুলাল মালের বখাটে ছেলে তারিফকে লেলিয়ে দেয়। শুক্রবার রাতে তারিফ তার সন্ত্রাসী বাহিনী দের নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পালপাড়ার বেশ কয়েকটি বসতঘর হামলা চালায়।
সন্ত্রাসীরা এ সময় মিনু আক্তারের ঘরে ঢুকে তাকে শারীরিক লাঞ্চিত করে জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে। এ সময় বাধা দিতে আসলে সোবহান হাওলাদারের স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।
এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে হামলা কারীদের বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
থানায় অভিযোগ করায় সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার রাতে কয়েক দফা হামলা চালিয়ে সংখ্যালঘু পরিবার সহ ৩০ টি পরিবারের ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালায়।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্তরা জানায়, পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর লতিফ বেপারীর ছেলে ও ফারুক বেপারীর শেল্টারে হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কয়েক দফা বাড়িঘরে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় এলাকায় কমপক্ষে ১৫ জন মহিলা পুরুষ আহত হয়েছে। থানায় অভিযোগ করায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।
এই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী।