কচুয়ায় বিএনপি প্রার্থীর গাড়ি বহরে হামলা আহত ১০

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোঃ মোশাররফ হোসেন মিয়াজীর নির্বাচনী প্রচারণার গাড়ি বহরে হামলা ও ভাংচুর করেছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। হামলায় প্রার্থীসহ অন্তত ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হন।

গতকাল ১২ ডিসেম্বর বুধবার বিকেলে কচুয়া উপজেলার সাচার দক্ষিণ বাজারে এ হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা ওই সময় মোশাররফ হোসেনের বহরের পাঁচটি গাড়ি ভাংচুর করেছে বলে দাবি বিএনপি নেতাদের। মোশাররফ হোসেনের প্রচারণায় কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির প্রধান, বিএনপি নেতা মোঃ এমদাদুল হক মিয়াজী, মোঃ শাহজাহান মজুমদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ মহিউদ্দিন মজুমদারসহ কয়েকশ’ নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা বিএনপি সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির প্রধান বলেন, মোশাররফ হোসেন দলীয় প্রতীক পাওয়ায় বুধবার সকালে ঢাকা থেকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে প্রথমবারের মতো নির্বাচনী এলাকায় পেঁৗছান। তিনি নিজ গ্রাম বারৈয়ারায় তার প্রয়াত বাবা ও মৃত গ্রামবাসীর কবর জিয়ারত শেষে স্থানীয় বারৈয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বক্তব্য দেন। তারপর উজানী মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে সাচার দক্ষিণ বাজারে পেঁৗছলে স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা তাদের গাড়িবহরে হামলা ও ভাংচুর করে। পরে ক্ষমতাসীনদের তোপের মুখে চাঁদপুর শিমুলতলীর মোড় থেকে নিজ বাড়িতে ফেরৎ চলে যান মোশাররফ হোসেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ জানান, বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ.ন.ম. এহসানুল হক মিলন এ আসন থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় তার অনুসারীরা মোশারফ হোসেনের নেতা-কর্মীদের উপর এ হামলা চালিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। অথচ আওয়ামী সমর্থকদের দোষারোপ করা হচ্ছে।

বুধবার কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মকবুল হোসেন মিয়াজীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কচুয়ার সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মোঃ মোবারক হোসেন। বিএনপি নেতা গ্রেফতারের এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মকবুল হোসেনকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি করেছেন ধানের শীষের প্রার্থী মোশাররফ হোসেন।