আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।

সবশেষ জনমিতি জরিপের ফলাফল প্রকাশ করছে না সরকার। ২০১৮ সালের মার্চে শেষ হওয়া এই জরিপ প্রকাশ না করার কারণ গত ৮ বছর ধরে মোট প্রজনন হার কমাতে না পারা। যা ২ দশমিক ৩ এ স্থির হয়ে আছে। যদিও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের দাবি এ হার কমেছে। বয়সন্ধিকালীন প্রজনন হার বেড়ে যাওয়াও জনসংখ্যা বাড়ার কারণ; আর তা ভাবাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের। এমন অবস্থায় আজ সারাদেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।

জাতিসংঘের হিসাবে বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৩০ লাখ ৪৬ হাজার। আর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে গতবছরের জানুয়ারিতে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার। তাদের হিসাবে, ২০১৩ সাল থেকে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশে স্থির রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিশোরী প্রজনন হার বেড়ে যাওয়ায় বাড়ছে জনসংখ্যার গতি। এজন্য বাড়ি পরিদর্শন বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

এদিকে, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও জনমিতি জরিপের সর্বশেষ প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে গত ৮ বছর ধরে প্রজনন হার স্থির থাকার তথ্য। যদিও এ প্রতিবেদন এখনো পর্যালোচনা করছে সরকার।