আজ বুধবার, জানুয়ারী ১৮, ২০১৭ ইং, ৫ মাঘ ১৪২৩

বখাটেদের নোংরা আচরনে মানুষ যেমন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে– তেমনি কিছু যুবতীর নোংরা পোষাক এদেশের সংস্কৃতির ক্ষতি করছে।

Monday, May 13, 2013

abulkalamkaluমুহাম্মদ আবুল কালাম:
বর্তমানে বখাটেপনা মারত্বক ভাবে রূপ ধারন করেছে। যা সত্যি সত্যি ছোঁয়াছে রোগের মতই। বখাটেদের শক্তি দিন দিন এমন ভাবেই দাঁড় হয়েছে যে, মনে হয় এদের সামনে পরমানু অশ্র ও কিছু নয়। কেছোর মত এরা এক দিক না একদিক থেকে উকি মারছেই। ঠিক যেন কুকুরের বাকানো লেজের মত! তাই এদের তেরাগাড়টাকে সোজা করার জন্য এদেশের সু-শিল সমাজ বিভিন্ন কর্মসূচী,র্ যালি অনুষ্ঠানাদি দিয়ে ইভটিজিং বিরোধী আন্দোলন করে যাচ্ছে। যে আন্দোলনে তারা একদিন না একদিন সুফল পাবেই। সুফল
পাওয়ারি কথা। কারণ তাদের সাথে রয়েছে এদেশের বিভিন্ন সংগঠন আইন প্রশাসন ও সরকারের সহযোগীতা এবং দুঃখের সময় ছায়া হয়ে দাঁড়ানো সাংবাদিক মহল। সাধারণত আমরা সকলেই কম বেশ জানি, বখাটেদের চলাফেরা সমাজের আট/দশ জন ভদ্র যুবকদের চেয়ে অনেক আলাদা, তাদের পোশাক সামগ্রী ও অন্য রূপের। আর এদের সহজে চিনার বড় চিহ্ন হচ্ছে এরা প্রায় স্কুল, কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীদের যাতায়াত পথে ষাঁড়ের ন্যায় দাড়িয়ে থাকে এবং বিভিন্ন স্থানে এদের বকের ন্যায় মাথা উঠিয়ে ঘুরতে দেখা যায়। আর যখনিই তারা সুন্দরী যুবতী নারী দেখে তখনি তাদের মুখ থেকে ছাগলের মত প্যান প্যানে বেঁ বেঁ শব্দ শোনা যায়, শিষ, অশ্লিল কথা বার্তা ও আরো কত কি! যা শুনার পর কোন নারীরই সে স্থান ত্যাগ করা ছাড়া উপায় নেই। তবে বখাটেদের হাতে মাদ্রাসার ছেয়ে স্কুল, কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা সাধারনত একটু আধটু অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়ে থাকে। বখাটেদের লক্ষ্য থাকে সুন্দরি যুবতিদের উতক্ত করা। অতএব মাদ্রাসার সামনে দাঁড়ানো মানি তাদের জন্য এক ধরনের বোকামী! কারণ সেখানে কোন মতেই সুন্দরী, রূপসী কোমলমতি মেয়ে দেখার মত কারোরই সাধ্য নেই। তাই বখাটেরা তাদের মূল্যবান সময়টুকু নষ্ট না করে, স্কুল, কলেজের সামনেই দাড়ানো উচিত মনে করে থাকে। এখানে দাঁড়ালে তারা দেখতে পাবে আমার আপনার এ সমাজের অনেক যুবকের আদরের বোন, দেখতে পাবে অনেক পরিবারের কোমল মতি তিলোত্তমার মত মেয়ে। যা নাকি তাদের হৃদয়ের স্বপ্নের সাজানো বাগানের মত। স্কুল, কলেজ ছাড়া ও বখাটেদের বাজারে পার্কে বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মত জমাট ধরে থাকতে দেখা যায়। আর যেখানেই দেখে জিন্স প্যান্ট পড়া সুন্দরী, সর্ট পোষাক পড়া নগ্ন পোশাক পড়া যুবতীদের। সেখানেই তারা পিঁপড়ার মত মেয়েদের পিছু ধরে। এ ছাড়া ও আজ অনেক যুবতী মেয়েরা জানি না কোন দেশ থেকে এ নোংড়া পোশাক গুলো এনে, গায়ে দিয়ে ঘুরতে বের হয়। যা দেখলে কোন যুবকই তার গোপন রহস্য চেপে ধরতে চাইলে তা চেপে ধরা হয়তো তাদের পক্ষ্যে সম্ভব হয় না। আজ দুঃখের সাথেই বলতে হচ্ছে অনেক যুবতীই আজ এমন কিছু পোষাক পড়ে বের হয়। যাদের দেখলে বুঝাই মুশকিল। তারা কি তরুনী না তরুন, যুবতী না যুবক, নারী না পুরুষ, বাংলাদেশী না পশ্চিমা গোষ্ঠি।
আমি জানিনা কার ধারণা কেমন, তবে আমার মনে হয়, আজ যে সব যুবতীরা নগ্ন পোশাক পড়ে তাদের গঠনপ্রণালী দেখিয়ে এদেশের সহজ সরল যুবকদের মাথা উলুট পালুট করে দেয় এবং এদেশের সংস্কৃতি গুলোকে নতুন প্রজন্মের অন্ত্মর থেকে ভুলানোর পায় তারা করছে তাদের কেউ ইভটিজিং এর আওতায় আনা উচিত।
আমাদের ভূলে গেলে চলবে না। কানে দূল, মাথায় নারীদের ন্যায় লম্বা চুল, হাতে বেছলাইট এবং পরনে ছেলেদের এমন কিছু পোশাক থাকে যা নাকি মেয়েদের সেলোয়ার কামিজের মতই তাই এ সমাজ যুবকদের মধ্যে অনেককেই ইভটিজিং বলে ধরে থাকে। (বলে রাখা ভালো আমি ছেলেদের যে পোশাকের কথা বলেছি তা বর্তমানে এক ধরনের ফ্যাশান। ফ্যাশন হলে ও তা কিন্তু এদেশের সংস্কৃতি নয় বরং সংস্কৃতি ধ্বংস হতে চলেছে। তাছাড়া আজ যারা এ ধরনের পোশাক পড়ে থাকে তাদের মধ্যে অনেকেই বাজে ধরনের কাজে কর্মে লিপ্ত থাকে।
তাই আমি মূলত তাদের কথাই বলেছি যারা খারাপ কাজ কর্ম ও ইভটিজিং মূলক কাজে জড়িত থাকে)। আজ মেয়েরাও এমন কিছু পোশাক পড়ে থাকে যা না কি ছেলেরা আগে পড়ত বা দেশের সংস্কৃতি পোশাক ভদ্র যুবকেরা ও জড়িয়ে রেখেছে।
তাই আমি সু-শীল সমাজের কাছে অনুরোধ করব, যে সব যুবতীরা যুবকের ন্যায় চলাফেরা করে তাদের বিরুদ্ধে ও একটি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। তবেই দেখবেন বখাটেদের হাতে আর কোন বোনকে নির্যাতিত হতে হবে না। কোন শিক্ষক ছাত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে বখাটেদের হাতে জীবন দিতে হবে না। কোন পিতাকে বখাটে নামের কুকুরদের হাতে মার খেতে হবে না। পরিশেষে আমি বলবো :- আমাদের সকলেরই মনে রাখা উচিত। আজ যে সব যুবক বখাটেপনা করে। যে সব যুবতি বাংলার সংস্কৃতির পোশাক বিলীন করতে চায়। তারা সকলেই আমাদের কারো না কারো ভাই,বোন, সন্ত্মান। আর এদের কোন ধরনের সমস্যা হলে আমাদেরই এগিয়ে যেতে হবে। তাই আসুন আমরা এদের ভালো কাজে উৎসাহ দেই এবং মন্দ কাজ থেকে দুরে রাখার জন্য অন্য কোন পন্থা খুজি যে পন্থার পর দূর হবে আমাদের ভয়ভীতি পিরিয়ে পাব বোনের হাসি, ভাইয়ের সুখের জীবন। মনে রাখবেন
একটি কচি ফলকে চোরদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য যেমনি ভাবে ঢেকে রাখতে হয়। তেমনি ভাবে কোন মানব জাতির সৌন্দর্য্যের ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকলে তাকে ও ঢেকে রেখে পথ চলতে দেওয়া উচিৎ। তবেই দেখবেন চোর তার আশা পূরন করতে না পারলে সে নিজেকে ভালো করার চেষ্টা করবে এবং একজন মানব জাতি তার রূপের ক্ষতি হওয়ার আশংকা থেকে রেহাই পেয়ে নতুন এক জীবন উপলব্ধি করবে।

e-mail :- abulkalamp@gmail.com

No comments বখাটেদের নোংরা আচরনে মানুষ যেমন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে– তেমনি কিছু যুবতীর নোংরা পোষাক এদেশের সংস্কৃতির ক্ষতি করছে।

মন্তব্য করুণ

Chandpur News On Facebook
দিন পঞ্জিকা
January 2017
S M T W T F S
« Dec    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
বিশেষ ঘোষণা

চাঁদপুর জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য,জ্ঞানী ব্যাক্তিত্ব,সাহিত্য নিয়ে আপনার মুল্যবান লেখা জমা দিয়ে আমাদের জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে তুলুন ।আপনাদের মূল্যবান লেখা দিয়ে আমরা গড়ে তুলব আমাদের প্রিয় চাঁদপুরকে নিয়ে একটি ব্লগ ।আপনার মূল্যবান লেখাটি আমাদের ই-মেইল করুন,নিম্নোক্ত ঠিকানায় ।
E-mail: chandpurnews99@gmail.com