হাইমচরের যৌনচার শিক্ষক ইমাম হোসেনের খুঁটির জোর কোথায়?

মিজান লিটন ঃ-
: পরিমল ও পান্না মাষ্টার এরপর চাঁদপুর নিউজের অনুসন্ধানী রিপোর্টে বেরিয়ে আসে চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার চরভাঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষক ইমাম হোসেন (বিএসসি)।
imam-master.jpg225555গত শুক্রবার চাঁদপুর নিউজের অপরাধ পাতায় খবরটি প্রকাশ করার পরপরই অনেক অনলাইন নিউজ পোর্টাল খবরটি ভালোভাবেই প্রচার করে এবং চাঁদপুর জেলার অনেক দৈনিক পত্রিকায়ও প্রকাশিত হয়।
এরপরও টনেক নড়েনি স্থানীয় প্রশাসনের। পান্না মাষ্টার কুষ্টিয়া থেকে গা ঢাকা দিয়ে ঢাকাতে আসলেও ঢাকাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। অথচ এখনও চরভাঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ে ক্লাস করে আসছেন ছাত্রী যৌনাচারকারী শিক্ষক ইমাম হোসেন। তাহলে কি সত্যি প্রশাসন থেকে তার খুঁটির জোর বেশি? নির্যাতিত হওয়া ছাত্রীদের পরিবারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ভয়ে কোন প্রকার মামলা করেননি। এতে কি প্রমাণিত হয়নি, ইমাম হোসেন অন্যায় কাজে লিপ্ত একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।
এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সুভ্রত কুমার দে এর কাছে জানতে চাইলে তিনি চাঁদপুর imama-master.jpg11নিউজকে জানান, এ বিষয়ে আমি এখনও কিছু জানতে পারি নাই। তবে ঘটনাটির সত্যতা পেলে অবশ্যই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অন্যদিকে হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান চাঁদপুর নিউজকে জানান, আমার কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ আসলে হয়তো আমি ব্যবস্থা নিতে পারবো। পত্রিকার খবর পড়ে কারো বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া যায়না।
গ্রামের স্থানীয় বাসীন্দারা জানান, সহজ সরল শিক্ষার্থীরা তার কাছে প্রাইভেট পড়তে আসতো। তিনি শিক্ষার্থীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে তাদেরকে পটিয়ে যৌন সম্পর্ক করার জন্য বাধ্য করতেন। তাও আবার গোপনে যৌনাচারের ভিডিও করে রেখে দেন। এত বড় অপরাধ করার পরও তিনি কি এভাবেই আইনের হাত থেকে রেহাই পেয়ে যাবেন?

এলাকায় গত কয়েকদিন যাবত এই নিয়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে এবং তার গোপন ভিডিওটি জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পরলে ঐ ছাত্রীটির পড়ালেখা এক পর্যায়ে প্রায় বন্ধের পথে। তার পরিবারটি সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রকার ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।
চরভাঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রীদেরকে তাদের অবিভাবকগণ অন্যত্র নিয়ে গেছেন। এ রকম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষানিকেতন কেন্দ্রের পড়ালেখায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে হিংস্র এই যৌনচার ইমাম হোসেনের যৌন কেলেংকারীর জন্য।
গ্রামবাসী ও পরিবারের ধারণা প্রশাসন হয়তো এর সাথে জড়িত আছে। আর তা না হলে এত কিছুর পরও তার বিরদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন।
ক্ষুব্ধ হাইমচরবাসীর এখন একটাই দাবী, এই লোমহর্ষক ঘটনার সূত্রপাতকারী ইমাম হোসেনের বিচার চাই।