শাহরাস্তিতে সিএনজি চুরির ঘটনায় নানা গুঞ্জন। থানায় অভিযোগঃ

 হাসানুজ্জামান,চাঁদপুর থেকেঃ শাহরাস্তিতে অহরহই সিএনজি চুরির ঘটনা ঘটছে। সদ্য ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় খিলা পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করেছেন সিএনজি মালিক আবদুল করিম। অভিযোগের আলোকে জানা যায়, গত ১০ মে বুধবার গভীর রাতে উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিন ইউনিয়নের নাহারা নতুন বাড়ি থেকে কে বা কারা নাম্বার বিহীন সিএনজি গাড়িটি চুরি করে নিয়ে যায়। বহু খোঁজাখুঁজির পর আবদুল করিম বাদি হয়ে ফাঁড়ি থানায় অভিযোগ করেন। এব্যাপারে আবদুল করিম বলেন, আমার নিজ নামে খরিদ করা সিএনজিটি আমার ছেলে আরিফ চালাতো। ঘটনার দিন রাতে আমি আমার শয়ন কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলাম। কখন কি ভাবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা আমার জানা নেই। তবে আমার সিএনজিটি চুরি হয়েছে বলেই আমি অজ্ঞাতনামা একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। এবিষয়ে আবদুল করিমের পুত্র আরিফ বলেন, ঘটনার দিন রাত প্রায় ২ টায় গ্যাস নিয়ে বাড়ি ফিরি। প্রতিদিনের মত সেদিনও তিনটি তালা লাগিয়ে ঘুমাতে যাই। সকালে উঠে আর গাড়িটি দেখতে পাইনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমি মূলত সিএনজি ব্যবসাই করি। সো-রুম থেকে সিএনজি কিনার পর বছর খানিক চালিয়ে আবার বিক্রি করে দেই। আর পুঁজি উঠানোর পর এটাই আমার লাভ। স্থানিয় ড্রাইভার ও এলাকাবাসী বলেন, আরিফ প্রবাসে ধরা খেয়ে দেশে ফিরে আসেন এবং দেশে এসে সিএনজি চালাতে শুরু করেন। দেড় বছরের মধ্যেই সে প্রচুর টাকার মালিক ব’নে যান। বিশাল বিল্ডিং সহ বেশ ক’টা সিএনজির মালিক হন তিনি। পরে জানা যায় সে তার সিএনজি দ্বারা মাদক ব্যবসা করে পয়সাওয়ালা হয়েছেন। তারা আরও বলেন, চুরি যাওয়া সিএনজিটি গত ৪ মাস আগে ক্রয় করেন। সিএনজি বেচা-কেনার সাথে ওনার বড় ধরনের হাত রয়েছে। তিনিই তার বাবার নামে ক্রয়কৃত সিএনজিটি চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করেছেন। ব্র্যাক এনজিও থেকে নাকি দুই লাখ টাকা তুলেছেন। ওই টাকা আত্মসাত করার জন্যই তিনি নিজেই এমন কাজ করেছেন বলে তারা মনে করেন।
অভিযোগের আইও ফাঁড়ি থানার ইনচার্জ এসআই আসফাক জানান, অভিযোগে কারও নাম দেয়া হয় নি। তবে সন্দেহ বশত একই গ্রামের আবদুল ওয়াদুদের পুত্র কামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করি এবং তার ব্যবহৃত মোবাইলটি ট্যাগিং করছি। সত্য উদঘাটনে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।