শাহরাস্তিতে গোল্ডেন লাইফ ইন্সুরেন্সের নামে সোয়া কোটি টাকা নিয়ে জসিম উদ্দিন পলাতক

Gokden_life_589946000
হাসানুজ্জামান  ঃ-

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে গোল্ডেন লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির নামে হাজার গ্রাহকের প্রায় সোয়া কোটি টাকা আতœসাত করে পলাতক রয়েছে আতœসাতকারী। গ্রাহকগণ হন্ন হয়ে খুঁজছেন ওই প্রতারক জসিম উদ্দিনকে। জানা যায়, পলাতক জসিম উদ্দিন উপজেলা সূচিপাড়া উত্তর ইউনিয়নের শোরসাক পূর্ব পাড়া জুনাব আলীর পুত্র। তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে গোল্ডেন লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে সম্পৃক্ত হয়ে এখন পর্যন্ত হাজারো গ্রাহকের সাথে প্রতারনা করে সোয়া কোটি টাকা আতœসাত করেছেন- এমন অভিযোগ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা গ্রাহকদের। ১৭৫ টি গ্রাম নিয়ে এই উপজেলা হলেও প্রতারিত হওয়া গ্রাহকের সংখ্যা ১৮ শতাধিক। যাদের মধ্যে ৮০ ভাগই মহিলা। আর এদেরimages (1) মধ্যে ৭০ ভাগ মহিলাই হলেন- প্রবাসীর স্ত্রী ও বিধবা। অনেকের বীমার মেয়াদ শেষ হলেও এখনো তাদের টাকা পাওয়ার লক্ষন সীমাহীন। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা স্থানে আপত্তিকর বহু ঘটনাও ঘটেছে। বর্তমান সরকার বীমা খাতে দূর্নীতি ও প্রতারনা রোধে ২০১১ সালে বীমা অধিদপ্তরকে বিলুপ্তি করে ‘আইডিআরএ’ নামে বীমার নতুন নিয়ন্ত্রন সংস্থা তৈরী করেন। এ সংস্থার তথ্য অনুসারে জানা যায়, বীমা কোম্পানি গুলো তাদের নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং পাশাপাশি গ্রাহকগণ হচ্ছেন প্রতারনার স্বীকার। বীমা আইনের বহির্ভূত- কমিশন বাণিজ্যি, বাকীতে বাণিজ্য, প্রিমিয়াম সংগ্রহের চুক্তিনামার ভূয়া কাগজপত্র, একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ পদে অযোগ্য অর্থলোভী, নেশাখোর,যৌনাচারী ব্যক্তিদের নিয়োগ, শীর্ষ কর্মকর্তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে বার্ষিক টার্গেটের লক্ষ্যে নানা অফারের ফাঁদে ফেলে সাধারণ গ্রাহকদের ফেলছে বিপাকে। আবার গ্রাহকের যোগ্যতা আর দক্ষতার কারণে যদি প্রিমিয়াম চলমান থাকে এবং মেয়াদ পূর্ণ হয় তাহলে যেকোন ত্রুটি তুলে ধরে বীমা অঙ্কের টাকা পরিশোধে নানা জটিলতা কিংবা হয়রানির শিকার হতে হয় গ্রাহকদের। যা থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারিতা ও কঠোর আইনানুগ ব্যস্থা গ্রহন করা উচিত বলে মনে করছেন ভূক্তভোগি গ্রাহকগণ।