মনতলা উবি’র অফিস সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে তালবাহানা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
মনতলা হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ১৫ মে। নিয়ম অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের পরে মৌখিক ও ভাইভা পরীক্ষার ফলাফলও একই দিনে ঘোষনা করে উক্তিন্ন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা। কিন্তু কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে উক্ত বিদ্যালয়ের নিয়োগ বোর্ড কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে তালবাহানা করে আসছে বলে একাধিক পরীক্ষার্থীর অভিযোগ। সেই সাথে স্থানীয় সাংসদ ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়ার উক্ত পদের বিষয়ে নিজ প্রচন্দের প্রার্থী রয়েছে বলে গুঞ্জন উঠে।
বিদ্যালয় সৃত্রে জানা যায়, গত পহেলা মার্চ ২০১৮ ইং তারিখে মনতলা হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শূন্য পদে একজন অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে পত্রিকায় আবশ্যক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বিদ্যালয়ের আশ-পাশের এলাকা থেকে প্রায় ১৭ টি আবেদন পড়লেও ১৫ মে পরীক্ষার দিন অংশগ্রহন করে ১০ জন পরীক্ষার্থী।
গত ১৫ মে নিয়োগ পরীক্ষার দিন লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে জানা যায়, পরীক্ষার্থী কামরুন্নাহার ১৩ মার্ক পেয়ে প্রথম ও রাশেদ পাটওয়ারী ১২ মার্ক পেয়ে ২য় অবস্থানে রয়েছেন। লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের পর মৌখিক ভাইভা নেওয়ার পর নিয়োগ বোর্ড কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার দিন ফলাফল ঘোষনা না করে স্থানীয় সাংসদ ড. মো. শামছুল হক ভূঁইয়ার সাথে পরামর্শ করে পরবর্তীতে জানানো হবে বলে অংশগ্রহনকারী পরীক্ষার্থীদের জানানো হয়। কিন্তু পরীক্ষার এক সপ্তাহ পার হলেও আজও পর্যন্ত ফলাফল ঘোষনা করা হবে কি না এ নিয়ে অংশগ্রহনকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি হচ্ছে।
গোপন সৃত্রে জানা যায়, উক্ত নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী মধ্যে রাশেদ পাটওয়ারীকে নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা চলছে। উক্ত লিখিত পরীক্ষায় প্রথম স্থানকারী কামরুন্নাহার মৌখিক পরীক্ষায় ভাল করেছে বলে নিয়োগ বোর্ডের গোপন সৃত্রে জানা যায়।
এ বিষয়ে মনতলা হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর-রশিদ বলেন, উক্ত নিয়োগ বোর্ডের ডিজি প্রতিনিধি ও বিদ্যালয়ের সভাপতির উপস্থিত ক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থানীয় সাংসদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে পরবর্তীতে জানানো হবে। এখন তাদের হাতে ক্ষমতা আমার কাছে কিছু নেই।
বিদ্যায়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম কাজল বিএসসি বলেন, এখানে ফলাফল নিয়ে কোন তালবাহানা হচ্ছে না, মূলত প্রকৃত মানের পরীক্ষার্থীর অভাব রয়েছে বলে আমি মনে করি। তবে দুই এক দিনের মধ্যে আমরা সিদ্ধান্ত দিয়ে দিবো।