ফেইজবুকে জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিপনের বিরুদ্ধে ভুয়া আইডি থেকে অপপ্রচার

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি
সাম্প্রতিক সময়ে ফেইজবুকের বিভিন্ন ভুয়া আইডির মাধ্যমে ফরিদগঞ্জে আ’লীগ ও বিএনপির দলীয় শীষ নেতা থেকে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তথ্যপ্রমান ছাড়াই প্রকাশ করা হচ্ছে নানা অভিযোগ। সর্বশেষ জেলা পরিষদের সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম রিপনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে অপপ্রচারে নেমেছে একটি কুচক্রিমহল। মিথ্যা, বানোয়াট ভিত্তিহীন স্ট্যাটাস দিয়ে জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে ওই মহল। এঘটনায় ৩ জনকে অভিযুক্ত করে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিপন।
ফেইজবুকে ছড়ানো আভিযোগ সর্ম্পকে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বুধবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিপন ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. জামাল উদ্দিনের বাড়িতে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ওই বাড়িতে ইফতার শেষে মাগরিবের নামাজ পড়ে চা পান করেন। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে জেলা পরিষদের ফরিদগঞ্জস্থ কার্যালয়ে ফিরে আসেন।
এসর্ম্পকে কমিশনার জামাল উদ্দিনের আশে পাশের কয়েকটি বাড়ির লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ৩০ মে সন্ধ্যায় ওই এলাকাতে নারী কেলেংকারী সংক্রান্ত কোন ঘটনাই ঘটেনি। এছাড়া বিলের মাঝখানে কোন বাড়িঘরের সন্ধান মিলে নি। ফেইজবুকে ছড়ানো ঘটনাটি সর্ম্পন্ন কাল্পনিক। মূলত তার সম্মানহানির জন্যে জামাত-বিএনপির মদদপুষ্ট, দুর্নীতিবাজ, মাদকাসক্ত কতিপয় ব্যক্তি মিথ্যা পাপাগান্ডা চড়াচ্ছে বলে মনে করেন এলাকার সচেতন জনগণ।
এসর্ম্পকে কাউন্সিলর জামাল উদ্দিন এ প্রতিনিধিকে বলেন, ১৩ রমজান বুধবার আমার বাড়িতে ইফতারির আয়োজন করি। উক্ত আয়োজনে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। আল্লাহর রহমতে ইফতারি ও দোয়া অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সর্ম্পন্ন হয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো কিছু দলবাজ ও ইয়াবাখোর ‘সেই দুনিয়া’ নামক ফেইক আইডির মাধ্যমে জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিপনকে হেয় করার জন্যে তার নামে মিথ্যাচার করে। যা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। অপরএক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার বাড়ি সংলগ্ন বিলের মাঝখানে কোন বাড়িও নাই, ঘর ও নাই। সকলের প্রতি অনুরোধ গুজবে কেউ কান না দিবেন না।
এদিকে ফেইজবুকে ছড়ানো মিথ্যা অপত্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে ফেইজুবুকে শত শত ব্যক্তি প্রতিবাদ করেছেন। নাসির মোহাম্মদ আরিফ নামে এক ব্যক্তি লিখেন ‘জ্ঞানশূন্য, উন্মাদ মানুষের দ্বারাই এই অপপ্রচার সম্ভ্যব। এদেরকে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। মেহেদী হাসান নামে আরেক ব্যক্তি লিখেছেন ‘ যোগ্য মানুষকে যোগ্যতা দিয়ে হারাতে হয়, হিংসা করে নয়।’
থানায় অভিযোগ সর্ম্পকে সাইফুল ইসলাম রিপন এ প্রতিনিধিকে বলেন ‘সেই দুনিয়া’ ও ‘অন্য মানুষ’ নামক ভুয়া আইডি থেকে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এছাড়া তিনটি ফেইজবুক আইডি থেকে ওই মিথ্যা ভিত্তিহীন তথ্য শেয়ার করে আমার মানহানির চেষ্টা চলানো হয়েছে। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
ফরিদগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী পরিবারের সন্তান সাইফুল ইসলাম রিপন সর্বোচ্ছ ভোট পেয়ে জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি ফরিদগঞ্জ পৌর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়ও তিনি মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক সংগঠন ‘সেইফ ফদিগঞ্জে’র প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক।
গল্লাক নোয়াব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন
ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী গল্লাক নোয়াব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই পদে একাধীক প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় ওই কমিটির সকল সদস্য নির্বাচিত হন। গত ২৮ মে সভাপতি নির্বাচন ও কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির সভাপতি পদে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মো. জয়নাল আবদীন ভূঁইয়া নির্বাচিত হন। তিনি ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নে ৫ বারের নির্বাচিত সফল চেয়ারম্যান ছিলেন।
এছাড়া কমিটির অন্যানরা হলেন দাতা সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন, অভিভাবক সদস্য মো. মিজানুর রহমান, জাকির খাঁন বাবু, একেএম সালাউদ্দিন, মো. বিল্লাল হোসেন, শিক্ষক প্রতিনিধি মো. মোবারক করিম, মো. সাইফুল ইসলাম ও বিচিত্রা রানী।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যনেজিং কমিটির সদস্য সচিব হাজী আব্দুল হান্নান এ প্রতিনিধিকে বলেন, গত ২২ মে ২০১৮ খ্রি. বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন ও ২৮ মে সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।