ফরিদগঞ্জে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ

images
প্রতিনিধি-
ফরিদগঞ্জের সুবিদপুর গ্রামে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে এক সন্তানের জনক মোরশেদ আলম। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ধর্ষকের পরিবার ও এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ধর্ষিতার পরিবারকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকার অন্য একটি পক্ষ ধর্ষিতার পরিবারকে কিছু টাকা দিয়ে তা সমাধান করার জন্য চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সুবিদপুর রাঢ়ী বাড়ির রিক্সাচালক আমির হোসেন ওরফে চিডার প্রতিবন্ধী মেয়ে রুমা আক্তার (১৫)-কে একই বাড়ির মফিজুল ইসলামের বড় ছেলে মোরশেদ আলম (৩০) কিশোরীর বসতঘরে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
ধর্ষিতার মা রাবেয়া বেগম চাঁদপুর নিউজকে জানান, গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টা তিনি ঘরের দরজা লাগানোর জন্য বাড়ির পার্শ্ববর্তী কাঠ মিস্ত্রীর কাছে গেলে আগ থেকে ওঁৎপেতে থাকা লম্পট মোরশেদ আলম প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে ঘরের ভেতর একা পেয়ে জোরপূর্বক পড়নের কাপড় চিড়ে ধর্ষণ করে। দূর থেকে মেয়েটির মায়ের গলার আওয়াজ শুনে ঘর থেকে পালিয়ে যায় ধর্ষক মোরশেদ আলম। তিনি আরও বলেন, মোরশেদ বাড়ির সম্পর্কে আমার ছোট ভাই। আমি ঐদিন মেয়েটিকে ঘরে রেখে বাড়ির ভেতরে কাজ শেরে আসার সময় ফিরে দেখি ঘরের সামনের দরজা দিয়ে মোরশেদ আলম পশ্চিম দিকে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। ঘরে এসে দেখি আমার মেয়ের খাটের উপরে রক্ত মাখা অবস্থায় পড়ে আছে। এ দৃশ্য দেখে ভাষা প্রকাশ করার মত নয়। আমি ঘটনার পর পরই মোরশেদের স্ত্রী ও মাকে জানাই। তারা বিষয়টি কোন কর্ণপাত না করে এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালীদের মাধ্যমে ঘটনাটি ধামাচাপার জন্য চেস্টা চালিয়ে আসছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনার পর চেয়ারম্যানকে অবহিত করেছি। এ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান আব্দুল হক বলেন, বিষয়টি শুনেছি তবে এ বিষয়ে ধর্ষিতার পরিবারকে থানায় অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছি। এখনো ধর্ষিতার পরিবার অর্থের অভাবে থানায় মামলা করতে পারেনি। মোরশেদের পিতা মফিজুল ইসলাম ঘটনা সম্পর্কে বলেন, ধর্ষনের ঘটনাটি বানোয়াট ও সাজানো নাটক।