ফরিদগঞ্জে আদালতের স্থিতি নিষেধাজ্ঞা অমান্যকরে স্থাপনা নির্মানের আশংঙ্কা


মো. শিমুল হাছান:
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৪নং ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে আদালতের দেওয়া স্থিতি নিষেধাজ্ঞা অমান্যকরে আবারো স্থাপনা নির্মান কাজ শুরুর আশংঙ্কা রয়েছে। গত ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ইং তারিখে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তার সন্তোষপুর গ্রামের শামছুন নাহারের আবেদনের প্রেক্ষিতে নালিশি ভূমির উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নরুল ইসলাম প্রতিপক্ষকে সম্পত্তির উপর স্থাপনা নির্মান না করতে নির্দেশ দেয়। তবে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্যকরে প্রতিপক্ষের মো. আরিফ হোসেন এলাকার কুচক্রি মহলের সহায়তায় আইন অমান্য করে আবারো সম্পত্তির উপর স্থাপনা নির্মানের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মামালার বাদীনির ভাই প্রবাসী মো. নজির আহম্মেদ।
আদালতে দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, সন্তোষপুর গ্রামের বেপারী বাড়ির শামছুন নাহার বেগম, পিতা. মৃত হোছেন আলী ও মো. আরিফ হোসেন পিতা. আনোয়ার উল্যার সাথে ক্রয়কৃত ও ওয়ারিশের সম্পত্তির ভাগভাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। কিন্তু গত ২৯ ডিসেম্বর আরিফ হোসেন শামছুন নাহারের দখলে থাকা জায়গা থেকে নারিকেল ও রেন্টিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে যায় এবং পাকা স্থাপনা নির্মানের কাজ শুরু করে। এনিয়ে মারামারি ও রক্তপাতের আংশঙ্কা করে শামছুন নাহারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত নালিশী ভূমি সন্তোষপুর মৌজার তিনটি দাগে ৫৩ শতাংশ ভূমির মধ্যে ৫ শতাংশ যার উত্তরে কালির বাজার-বেড়ির বাজার পাকা রাস্তা, দক্ষিনে প্রতিপক্ষ, পূর্বে নূরুল হক গং পশ্চিমে আলী আক্কাছ উপর স্থিতি নিষেধজ্ঞা আরোপ করে। যার প্রেক্ষিতে পুলিশ নির্মান কাজ বন্ধ করে দিলেও প্রতিপক্ষ জোর প্রয়োগ করে কুচক্রী মহলের সহায়তায় আবারো নির্মান কাজ শুরু করার আশংকা করছে মামলার বাদী পক্ষ।
তবে মো. আরিফ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, খরিদ সূত্রে আমি সম্পত্তির মালিক। আমার খরিদা সম্পত্তিতে গাছ কেটে স্থাপনা নির্মান করতে গেলে শামছুন নাহার মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে আবেদন করে স্থিতি অবস্থা জারি করিয়েছে। স্থিতি অবস্থার কারণে আমার নির্মান কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমি দলিলপত্রের মাধ্যমে বিরোধের বিষয়টি আদালতে মোকাবেলা করবো।