চাঁদপুর পালবাজারে ৩০টি দোকান পুড়ে ছাই গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে

রফিকুল ইসলাম বাবু ॥ চাঁদপুর শহরের সবচাইতে বড় পাইকারি বাজার পালবাজারে বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে ৩০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়েগেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। এর্ককোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতির দাবী করেছেন ব্যবসায়ীরা। আজ সোমবার ভোর ৬টায় বাজারের বকুলতলা রোডে বাসু সৈয়ালের মুদি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে সকাল সাড়ে ৮টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।বাজারের ব্যবসায়ী মুকবুল হোসেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম বাবুকে বলেন, বাজারের বকুলতলা রোডে এক দোকান আরেক দোকানের সাথে লাগানো। বাসুর দোকানের আগুনের সূত্রপাত হলে মুহুর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আর এতে করে স্থানীয় লোকজন চেষ্টা করলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। দমকল বাহিনীর সদস্যরা খবর পেয়ে সাড়ে ৬টায় ঘটনাস্থলে আসে। এরই মধ্যে ৩০টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কারণ কয়েকটি দোকানের মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় আগুন আরো বেশী করে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া বেশ কিছু ছোট দোকানের আংশিক পুড়েগেছে। ধারণা করা হচ্ছে আগুনে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন: নুরুল ইসলাম, মজিবুর রহমান, বোরহান, হাবীব, হাসান খান, হারুন পাটওয়ারী, আমিন মাতাব্বর, মোক্তার আহম্মেদ, সিরাজুল ইসলাম, মুকবুল হোসেন, শাহজাহান গোলদার, মনির জমাদার, মিজান জমাদার, মান্নান গাজী, আহম্মদ উল্যাহ, ফরিদ জমাদার, বাসু সৈয়াল, হাবিবুর রহমান, রফিক জামাদার, আব্দুল মান্নান, শাহাদাত হাওলাদার, শামছুল হক পাটওয়ারী, হাবিব গাজী, সফিকুর রহমান গাজী ও মো. কামরুল ইসলাম। এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশীরভাগই সব্জির আড়ৎ, ডিমের আড়ৎ, মুদি ও কনফেকশনারী। চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস (উত্তর) স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফারুক আহম্মেদ জানান, খবর পেয়ে ১০ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলের কাছাকাছি উপস্থিত হই। কিন্তু বাজারে গাড়ি প্রবেশ করার মত অবস্থা না থাকায় কিছুটা বিলম্ব হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে শহরের পুরাণবাজার স্টেশনসহ ৪ ইউনিট আড়াই ঘন্টা কাজ করেছেন। ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক সর্টাসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তদন্ত করে নির্ধারণ করা হবে।