চাঁদপুরে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি ॥ তীব্র শীতে পশুর মৃত্যু


শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥ চাঁদপুরে তীব্র শীতে কাবু হয়ে যাচ্ছে মানুষ ও গভাদী পশু। দিনদিন তাপমাত্রা কমেছে শুরু করেছে। তীব্র শীতে কাবু হয়ে চাঁদপরে বেশ কয়েকটি গভাধী পশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার শহরের পুরানবাজারে তীব্র শীতে একটি গভাধী পশুর মৃত্যু হয়। চাঁদপুরে এখনো শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া অফিসের এক কর্মকর্তা বললেন, তাপমাত্রা আরো কমবে। শৈত্য প্রবাহ চলমান থেকে শীতকে তীব্র করে তুলছে। এই শীতে সব বয়সী মানুষই কাবু হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে শীতের তীব্রতা বেড়ে যায়।
মাঝখানে একদিনের ব্যবধানে চাঁদপুরে সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন দুটাই ৩ ডিগ্রি করে কমেছে। তাপমাত্রা এমন দ্র“ত কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতাও খুব বাড়ছে। হিমেল বাতাস শীতকে আরো বাড়িয়ে তুলছে। সন্ধ্যার পর এই বাতাস শুরু হয়ে যায়। বাতাসই শীতকে খুব বাড়িয়ে দেয়। তখন বাসা-বাড়ি বা ঘর থেকে যেনো বের হওয়াই যায় না। পানি যেনো বরফ হয়ে যায়। তীব্র এই শীতে শিশু এবং বয়োবৃদ্ধরা খুব কষ্ট পাচ্ছে। তারা নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে। শিশুরা নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

এই শীতকে মোকাবেলা করতে গরম কাপড়ের চাহিদা খুব বেড়ে যাচ্ছে। রাস্তার পাশে ফুটপাতে এবং বিভিন্ন মার্কেটে গরম কাপড়ের দোকানেই এখন ক্রেতাদের ভিড় বেশি দেখা যায়। কিন্তু শীতের তীব্রতা এমন বেড়ে যাচ্ছে যে, গমর কাপড়েও যেনো শীত নিবারণ হচ্ছে না। দিনের বেলা রোদ থাকায় শীত কিছুটা সহ্য করা গেলেও রাতে সহ্য করার মতো নয়।

রাতে দেখা গেছে যে, মানুষ খড়-কুটা ও কাগজে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে। আর খোলা আকাশের নিচে ছিন্নমূল মানুষগুলোকে জবুথবু হয়ে থাকতে দেখে গেছে। অনেকের গায়ে গরম কাপড় নেই। এ মুহূর্তে যেনো তাদের শীতবস্ত্রই প্রধান চাহিদা।
এদিকে ঘন কুয়াশায় কারনে ঢাকা ও দক্ষিনাঞ্চল থেকে ছেড়ে আশা যাত্রীবাহী লঞ্চ চরে আটকে পরছে। এছাড়া ঘন কুয়াশায় মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও বালুর বলগেটে আঘাতে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হবার ঘটনা ঘটেছে।