চাঁদপুরে পহেলা বৈশাখ বাংলা শুভ নববর্ষ-১৪২৫ উদযাপনের প্রস্তুতি

স্টাফ রিপোর্টার:

সম্রাট আকবরের সময় কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। তখন প্রত্যেকে চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল খাজনা,মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে হত। এর পর দিন অর্থ্যাৎ পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীকে মিষ্টান্ন
দ্বারা আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত।সেই থেকে পহেলা বৈশাখের উৎসব একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়।গ্রাম,শহর বা
বাণিজ্যিক এলাকা,সকল স্থানেই পুরনো বছরের হিসাব বই বন্ধ করে নতুন হিসাব বই খোলা হয়।প্রকৃতপক্ষে হালখাতা হল বাংলা সনের প্রথম দিনে দোকানপাটের
হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া।পুরনো বছর ও জীর্ণতাকে বিদায় এবং নতুন বছর ও আশাকে বরণ করার উৎসব চৈত্র-
সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ। বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরেও চলছে ব্যাপক আয়োজনের প্রস্তুতি। শুক্রবার বন্ধের দিন পেয়ে দোকান-পাট
ধুইয়ে-মুছে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।মিষ্টির দোকানগুলোতে রসগোল্লা-জিলাপী নিয়ে ব্যস্ত মিষ্টি কারিগর।মুদী দোকানে চিড়া,খই-মুড়ি বিক্রি
বেড়েছে।জগবন্ধু সাহা ও কাদির শেখসহ শহর ও গ্রামের হাট-বাজরের ষ্টেশনারী দোকানগুলোতে বিক্রির জন্য শাভা পাচ্ছে লাল সালু কাপড়ে মোড়ানো শুভ নববর্ষের শুভ
হালখাতা এবং পুঞ্জিকা। প্রাচীন চাঁদপুর জেলা শহরের প্রধান ব্যবসায়িক এলাকাপ্রসিদ্ধ পুরানবাজার মসজিদ ও গোয়াল পট্টি থেকে এই ছবি জানান দিচ্ছে,১৪এপ্রিল শনিবার পহেলা বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ।