চাঁদপুরে ঔষধ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট পালন

মিজান লিটন-images
রাজধানীর মিটফোর্ট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ঔষধ ব্যবসায়ী গ্রেফতার, জরিমানা ও ঔষধ জব্দ করার প্রতিবাদে গতকাল ৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যনত্দ সারাদেশে একযোগে ধর্মঘট পালন করেছে ঔষধ ব্যবসায়ীরা। একই সাথে চাঁদপুরেও সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা পর্যনত্দ চাঁদপুরের ঔষধ ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট পালন করে।

এ জন্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সারাদিনই শহরের প্রতিটি ঔষধের দোকান বন্ধ ছিলো। শহরের প্রাণকেন্দ্র কালী বাড়িতে অবস্থিত জনতা ফার্মেসী, চাঁদপুর মেডিকেল হল, দোলা ফার্মেসী, গ্রীন ফার্মেসী, পপুলার ফার্মেসী, আইডিয়েল ফার্মেসী, শাহী মেডিকেল স্টোর্স, ন্যাশনাল মেডিকেল হল, ছায়াবাণী মোড়ে গাজী ফার্মেসী, মিলন ফার্মেসীসহ শহরের চিত্রলেখা মোড়, বাস স্ট্যান্ড, বিপণীবাগ, পালবাজার, নতুনবাজার, পুরাণবাজার এলাকার প্রত্যেকটি ঔষধের দোকান ছিলো বন্ধ। এ জন্যে শহরের হাসপাতালগুলোতে শহর এবং গ্রাম থেকে রোগী নিয়ে আসা স্বজনর ঔষধ কিনতে গিয়ে অনেক বিপাকে পড়তে হয়েছে। সে সাথে রোগীদেরও থাকতে হয়েছে আতঙ্কের মুখে। রোগী নিয়ে আসা অনেক স্বজনদেরকে ঔষধ কেনার জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে। কিন্তু তারা শহরের কোথাও ঔষধের ফার্মেসী খোলা না পাওয়ায় ঔষধ না কিনেই ফিরে যেতে হয়েছে রোগীর পাশে।

তবে চাঁদপুর শহরে ঔষধ ব্যবসায়ীদের সারা দিনব্যাপী এ ধর্মঘট চললেও শহরের আশেপাশের ও বিভিন্ন উপজেলায় ধর্মঘটের তেমন কোনো কার্যক্রম ছিলো না। হাজীগঞ্জ, শাহরাসত্দি, কচুয়া, মতলব, হাইমচর, ফরিদগঞ্জসহ শহরের বাইরে অধিকাংশ ফার্মেসীই খোলা ছিলো। সারাদেশব্যাপী ধর্মঘট চলাকালীন সময়ের মধ্যে যদি তাদের দাবি মেনে না নেয়া হয় তাহলে অনির্দিষ্ট কালের জন্য এ ধর্মঘটের ডাক দিবে বলে ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি সাদেকুর রহমান। তাদের দাবিগুলো হচ্ছে ঃ আটক ব্যবসায়ীদের মুক্তি দেয়া, জরিমানা মওকুফ এবং অভিযানের সময় সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে রাখা।