চাঁদপুরে এই প্রথমবার হতে যাচেছ ইজতিমা ॥ শত শত ধর্ম প্রান মানুষ দলবদ্ধ ভাবে স্বেচ্ছায় প্যান্ডেলের কাজে ব্যাস্ত


শওকতআলী॥ ঢাকার টঙ্গী বিশ^ ইজতেমান লোক সমাগম কমাতে বেশ কয়েক বছর ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় আঞ্চলিক ইজতেমা করে যাচেছ ঢাকার কাকরাইলে বিশ^ ইজতেমার দায়িত্বে থাকা ইসলামি চিন্তাবিদ ইজতেমা কমিটি। এরই ধারাবাহিকতায় তাবলিগের ইসলামি চিন্তাবিদ মুরব্বিদের ব্যাবস্থাপনায় চাঁদপুরে এই প্রথমবারের মত অনুস্থিত হবে চাঁদপুর জেলা ইজতেমা। এ ইজতেমাকে সাফল্য করে তুলতে ও মুসল্লিদের চাঁদপুরে সুন্দর ও শৃংখল ভাবে ইজতেমা ময়দানে থাকার জন্য ব্যাপক আকারে প্যান্ডেল নির্মানে স্বেচছায় ইজতেমা ময়দানে দেশের বিভিন্ন স্থানের ও চাঁদপুর জেলার শত-শত ধর্ম প্রান মুসলমান কাজ কাজ করে যাচেছ।

 

বিশ্ব ইজতিমার তত্ত্বাবধানে চাঁদপুরে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চাঁদপুর জেলা ইজতিমা। আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ দিনব্যাপী এ ইজতিমায় প্রায় ৫-৬ লাখ মুসল্লির সমাগম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমনটাই আশা করছেন আয়োজকরা।

চাঁদপুর শহরে পুরাণ বাজার দোকানঘর এমদাদিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন পশ্চিম জাফরাবাদ মেঘনা নদীর পাড় ঘেঁষা জমিতে ইজতিমার প্যান্ডেলের কাজসহ প্রয়োজনীয় কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। প্রতিদিন গড়ে স্বেচ্ছায় ৭ থেকে ৯শ’ লোক কাজ করে যাচেছন। মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন পেশার লোকজন প্যান্ডেল নির্মাণের কাজে সহায়তা করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলার কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও প্যান্ডেলের কাজ ও স্বেচ্ছাসেবীর কাজ করছেন। আমন্ত্রিত বিদেশী অতিথিদের থাকার জন্য আলাদা প্যান্ডেল নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া মুসল্লিদের গোসল, ওজুুর ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত টয়লেট নির্মাণ করা হচ্ছে। মাঠে প্রবেশের রাস্তাগুলো প্রশস্ত করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, টঙ্গী বিশ্ব ইজতিমার আওতায় এ ইজতিমার আয়োজন করা হয়েছে। এবছর দেশের ১৬টি জেলায় আলাদাভাবে জেলা ভিত্তিক ইজতিমার আয়োজন করা হয়েছে। চাঁদপুরে প্রথমবারের মত বিশাল এ ইজতিমার আয়োজন করায় জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে গত কিছুদিন থেকেই বেশ আনন্দ বিরাজ করছে। মাঠের আশপাশে বসবাসরত বাসিন্দারাও যার যার সাধ্যমত প্যান্ডেল নির্মাণে সহায়তা করে যাচ্ছে। প্রতিদিন জেলার ৮ উপজেলা থেকে শ’ শ’ মানুষ দলবদ্ধ হয়ে স্বেচ্ছায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্যান্ডেলের কাজে সহায়তা করছেন।

আয়োজকদের দাবি, সব শ্রেণীর ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ইজতিমায় অংশগ্রহণ করলে প্রায় ৫-৬ লাখ মুসল্লির সমাবেশ ঘটবে। টঙ্গী ইজতিমা মাঠের ন্যায় এই মাঠেও ৮ উপজেলা থেকে আগত মুসল্লিদের জন্য আলাদাভাবে বসার ব্যবস্থা থাকবে। মুসল্লিদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হবে। এ জন্য চাঁদপুরের আইন শৃংখলা বাহিনির প্রধানের কাছে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে।