চাঁদপুরের পালবাজার মাছ বাজারের ছাদের আস্তর ভেঙ্গে পড়ছে

3_8618

শহর প্রতিনিধি-
চাঁদপুর জেলা সদরের অতি প্রাচীনতম বাণিজ্য কেন্দ্র (অন্নদাচরণ বাজার) পাল বাজার শহরবাসীর নিত্যদিনের কেনা কাটার একমাত্র ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্য কেন্দ্রের ছাদের আস্তর প্রতিদিন ভেঙ্গে পড়ছে । যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আতঙ্কে দিন-রাত কাটাতে হচ্ছে শতশত ব্যবসায়ী ও কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা সাধারণের। এ ব্যাপারে পৌর মেয়রের নাসির উদ্দিন আহমেদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন পালবাজার ব্যাবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণ।
চাঁদপুর জেলাবাসীর ও শহরের এক মাত্র ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা কেন্দ্রটি হচ্ছে পালবাজার। এ বাজারে জেলার সিকি কোটি মানুষ প্রতি মহুর্তে যে কোন সময় তাদের প্রয়োজনে কেনাকাটা করতে আসতে হয়। এখানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থানের নিত্যদিনের পণ্য পাওয়া যায়। যার ফলে এখানে জেলার ৮টি উপজেলা থেকে প্রতিদিন হাজার-হাজার ক্রেতা আসে এ বাজারে। স্বাধীনতার পর এ বাজারটি প্রায় ২০ বছর যাবৎ এলোমেলোভাবে চলছিলো। তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল করিম পাটওয়ারী বাজারটি পাঁকা ভবন নির্মাণ করেন।
বিগত ২২ বছর পূর্বে পালবাজারের মাছ বাজার ও খুচরা তরিতরকারী বিক্রেতাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বাজারটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে নির্মিত হয়েছিলো। প্রায় ১শ’ বছরের নির্মাণ নিশ্চয়তা দিয়ে ঠিকাদার কাজটি করেছিলো। বাজারের মাংস ব্যবসায়ীরা ছাদের উপর গরু, মহিষ, ছাগলের হাড় শুকানোর কারণে বাজারের ভবনটির ছাদ অল্প সময়ে ভেঙ্গে পড়তে শুরু করে। গত ৫ বছর যাবৎ অল্প করে ভেঙ্গে পড়লেও বর্তমানে ছাদের অবস্থা করুণ। এতে করে প্রতিদিনই ব্যবসাীয় ও ক্রেতা সাধারণ মারাত্মক আহত হচ্ছে। মাংস ব্যবসায়ীরা প্রায় ২২ বছর যাবৎ গরু, মহিষ ও ছাগলের হাড় ছাদের উপর শুকিয়ে আসছে। যার ফলে হাড়ের ভিতরে থাকা লালা পড়ে ও বৃষ্টির পানিতে ভিজে সিমেন্টের গুণগতমান নষ্ট করে ছাদের ধারণক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। এতে করে ছাদের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়ে এবং ছাদটি তার স্থায়িত্ব হারিয়ে ফেলছে ছাদের আস্তর ভেঙ্গে মাথায় পড়ে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। বর্তমান বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে ছাদের অবস্থা আরো নাজুক হয়ে পড়ে। পাল বাজারের মাছ বাজারের ভবনটির যে অবস্থায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে তাতে ব্যবসায়ী, ক্রেতা, শতশত এলাকাবাসী ও বহু অভিজ্ঞ প্রকৌশলী মন্তব্য করেছেন, অচিরেই ছাদটি ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণ না করলে যে কোন সময় ২০/৩০ অথবা ৫০ কেজি ওজনের ঢালাই ছাদ থেকে খসে পরে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানীর আশঙ্কা রয়েছে।এ ব্যাপারে পৌর মেয়রের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যাপারটি দেখবেন বলে জানান।