চলতি মাসে মালয়েশিয়ায় অবৈধদের বৈধ হওয়ার শেষ সুযোগ।।

শাহাদাত হোসেন, মালয়েশিয়া থেকে:

সৌদি আরবের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার মালয়েশিয়া বাংলাদেশের রেমিটেন্সের যে আয় উল্লেখযোগ্য এ আসে মালয়েশিয়া থেকে । বর্তমানে প্রায় বারো লক্ষ বাংলাদেশী কর্মরত আছেন গত ২০১৬ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি থেকে মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া অবৈধদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে তা শেষ হচ্ছে চলতি মাসে ৩১ ডিসেম্বর
এ সময়ের মধ্যে সকল অবৈধ বিদেশি কর্মি বৈধতার আওতায় অন্তর্ভূক্ত হতে হবে। তা না হলে দেশে ফেরত আসতে হবে। এমনটি জানালেন, দেশটির অভিবাসন বিভাগের প্রধান দাতু মোস্তাফার আলী। ৩১ ডিসেম্বরের পর থেকে অবৈধ বিদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান চালানো হবে বলে শতর্ক করে দিয়েছেন তিনি। মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া এই সুযোগটি বড় একটি অংশই কাজে লাগিয়েছে যাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশী
এ পর্যন্ত মাই-ইজি/বুক্তিমেঘা ও ইমান কোম্পানীর এ তিনটি ভেন্ডরে প্রায় ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৬৫ জন বাংলাদেশি কর্মি রি-হায়রিংয়ের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন এবং ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি ই-কার্ড সংগ্রহ করেছেন জানিয়ে দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর , দূতাবাস থেকেমাই-ইজি, বুক্তিমেঘা ও ইমান কোম্পানির রি-হিয়ারিং কার্যক্রম পযৃবেক্ষনে রেখেছে কোন বাংলাদেশী কর্মী যেন অবৈধ না থাকে । এমনকি সরকারের তরফে মিশনকে সর্বোতভাবে সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
কাউন্সেলর জানান, রি-হিয়ারিং এ ব্যর্থ নিয়োগকর্তারা যাদের কারনে এখনো বৈধ হতে পারেননি বাংলাদেশি কর্মীরা তারা আইনের আসছেন এবং যারা নির্ধারিত সময়ে ই-কার্ড সংগ্রহ করেননি এমন নিয়োগকর্তাকে আইনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়ার সরকার। ডিজি ইমিগ্রেশনের বৈঠকে এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, কেন কর্মীদের ই-কার্ড করায়নি এ জন্য নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে শাস্তিও দেয়া হয়েছে।
তবে যারা কার্ড করেছেন, এমন কোম্পানি বা নিয়োগকর্তা ইমিগ্রেশনে অবৈধদের নামের তালিকা পাঠালে তাদের যাতে পুলিশ হয়রানি করতে না পারে সেই ব্যবস্থা নেবে মালয়েশিয়ার সরকার।
এ দিকে রি-হিয়ারিং প্রক্রিয়ায় শ্রমিক সমস্যা সমাধানকল্পে ইমিগ্রেশন বিভাগের বড় কর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়েছে। যারা এখনোও রি-হিয়ারিং এর আওতায় বাইরে আছে তারা যেন দ্রুতই নিবন্ধিত হয় এটাই অবৈধদের বৈধ হওয়ার সর্বশেষ সুযোগ। তবে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক ই-কার্ড সংগ্রহ এবং রি-হায়ারিংয়ের সুযোগ নেয়ার জন্য নিবন্ধি হওয়ায় ডিজি বৈঠকে বরাবরই সন্তোষ প্রকাশ করেন আসছেন।