কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে যে নামটি,তিনি দ্বিজেন্দ্র মিত্র!

রিফাত কান্তি সেন।বলিবল খেলার নাম শুনলে ই যেই লোকটির নাম আজো ফরিদগঞ্জের মানুষের কাছে স্বর্নক্ষরে লেখা তিনি চাঁদপুর জেলার, ফরিদগঞ্জ থানার কড়ৈতলী গ্রামের কৃতি সন্তান জনাব দ্বীজেন্দ্র লাল মিত্র।
কালের বিবর্তনে সবই হারিয়ে যায়, যেমন হারিয়ে যাচ্ছে এই ক্রিয়াবিদের নাম।
হয়তো সুযোগের অভাবে তিনি জাতীয় পর্যায়ে খেলতে পারেন নি, কিন্তু আশির দশকের সেরা ক্রীয়া  ব্যাক্তিতের তাকমা যে তিনিও ছিলেন তা তার বন্ধুদের সাথে আলাপ করলে ই বুঝা যায়।
আজ ও দ্বীজেন্দ্র বললে অনেকেই পরিচয়টা দেন তিনি একজন স্ম্যাশার ছিলেন বলিবলের।
তার দাপটে খেলা পুরো উপজেলাকেই মাতিয়ে রাখতো।
আজ সেই দ্বীজেন্দ্র লাল মিত্র নেই,গত ২০০১ সালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে হেরে যান।
মরনব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করেন এই দাপটে ক্রীয়াবিদ।
জানা যায় তিনি সব ধরনের খেলা ই সমান পারদর্শী ছিলেন।
তার ব্যাক্তি জীবন ছিলো খুবই নম্র ও ভদ্র স্বভাবের,ছিলেন সাহসী মহৎপ্রান।
ব্যাক্তি জীবনে সংসারের ঘানি টানতে ছুটে গিয়েছিলেন প্রবাসে,এর পর প্রবাস থেকে ফিরে বিবাহ বন্ধনে ও আবদ্ধ হন।
এক পুত্রের জনক ও হন তিনি।
কিন্তু ভাগ্য তাকে এতটা বিতাড়িত করবে কে জানে,মরনব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দুই বার বড় অপরেশন হন।
ভারতে গিয়ে চিকিৎসা ও করান, কিন্তু মৃত্যু তার পিছু ছাড়েনি।
মৃত্যুকালে এক সন্তানের জনক ছিলেন দ্বীজেন্দ্র মিত্র।
ভাই বোনদের মধ্যে তিন নম্বর ছিলেন তিনি।
তার ছেলে এবার মাধ্যমিকে পাশ করে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হয়েছে।
হিমশিম খেতে হচ্ছে তার পড়ালেখার খরচ চালাতে।
যদিও তার ভরন পোশন করছেন তার ই খালু ডাঃ বিমল কান্তি সেন।
দ্বীজেন্দ্র মিত্রের খেলার সাথীদের মধ্যে উল্ল্যেখ ছিলো ৮ নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব আমিনুল ইসলাম পাটোয়ারী।
যদিও তিনি ও আজ আমাদের মাঝে নেই।
একসময় কার সফল ক্রীয়া ব্যাক্তিদের মাঝে তিনি ও ছিলেন সফল ক্রীয়াব্যাক্তিত্ত।
কড়ৈতলী উদয়ন যুবসংঘের প্রান পুরুষ ছিলেন এরা।
এছাড়া এদের তালিকায় ছিলেন বাচ্ছু,সামু সহ নাম না জানা অনেকেই।DSC05652.ai„yevv&
আজ ও কড়ৈতলী বাসী গভীর শ্রদ্ধায় স্মরন করেন এই দাপুটে ক্রীয়া ব্যাক্তিত্তকে।