কাজির গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই

5_8927
এসআর সোহাগ=
ফরিদগঞ্জের ৩নং সুবিদপুর ইউপি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি দীর্ঘদিন যাবৎ অনিয়মিত খোলার কারণে রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
সরজমিনে দেখা যায়, ৩নং সুবিদপুর ইউনিয়নস্থ বাঁশারা বাজার সংলগ্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি দীর্ঘদিন যাবৎ অফিস সময় মেনটেইন তো দুরের কথা সপ্তাহের বেশির ভাগ দিনেই বন্ধ থাকে। এতে করে ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, একদিন খোলা থাকলে দু’দিন বন্ধ থাকে কমপ্লেক্স। আর যদিও খোলা থাকে, তবে সেবকগণ নিয়মিত থাকে না কিংবা সেবকগণ থাকলেও বাইরে থেকে ঔষধ কিনতে হয় রোগীদের। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা বন্ধ থাকা কমপ্লেক্সের পাশে অপেক্ষমান রোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি দেয়া হয়েছিল জনগণের সেবার জন্য, কিন্তু সেবাতো দূরের কথা রোগীর সাথে আসা সুস্থ মানুষও এখানে আসলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অপেক্ষার প্রহর গুণতে থাকেÑ কখন কমপ্লেক্সের তালা খুলবে। ঐ কমপ্লেক্সে কর্মরত এমএলএসএস আবদুল মোতালেব-এর সন্ধান চাইলে রোগীরা জানায় মোতালেব নামের ঐ লোকটি আশপাশে কোথাও রয়েছে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে মোবাইল ফোনে অফিসে আনা হলে সে জানায়, দীর্ঘদিন যাবৎ কমপ্লেক্সে ঔষধ না থাকায় কমপ্লেক্স বন্ধ রাখি। আর ঔষধ না থাকার কারণে ম্যাডামও ঠিকমত থাকে না। ম্যাডামের মোবাইল নাম্বার খোঁজ করলে মোতালেব জানান, ম্যাডামের মোবাইল নাম্বারতো অনেকগুলো, কোন নাম্বারটা দেবো। এ ব্যাপারে মোতালেবের দেয়া ম্যাডাম সুরাইয়া বেগমের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। রোগী সাধারণ আরো জানায়, ম্যাডাম সুরাইয়া বেগম রোগীদের সাথে খারাপ আচরণ করে বলে, ‘আপনারা উপরে অভিযোগ করেন, অভিযোগ করলে আমাকে এখান থেকে যেনো বদলি করে দেয়’। এমতাবস্থায় এলাকার সাধারণ জনগণ জানায়, এ চরম ভোগান্তি থেকে এলাকার দুঃস্থ অসহায় রোগীদেরকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সুদৃষ্টি কামনা করছে ভুক্তভোগী মহল।