আল আমিন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের অপসারন চেয়ে শিক্ষার্থীদের একাংশের ক্লাস বর্জন

তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে : প্রফেসর এম আব্দুল্লাহ
যাদের স্বার্থে আঘাত লেগেছে তারাই এ পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে : অধ্যক্ষ ড. আব্দুল গাফফার
* বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা ছেলে-মেয়েদের নিয়ে উদ্বিগ্ধ : অভিভাবকবৃন্দ
স্টাফ রিপোর্টার
আল আমিন সোসাইটির (ট্রাস্ট) কর্তৃক পরিচালিত আল আমিন স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. আব্দুল গাফফারের অপসারন চেয়ে গত ৪ এপ্রিল হঠাৎ করেই মেথা রোডস্থ পুরুষ একাডেমি ও উকিল পাড়াস্থ ছাত্রী শাখায় শিক্ষার্থীদের একাংশ ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। বর্তমান প্রতিষ্ঠানটির এ উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য যারাই দায়ী সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলেন আল আমিন সোসাইটির চেয়ারম্যান ও আল আমিন স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি প্রফেসর এম. আব্দুল্লাহ। গতকাল ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় তিনি বলেন, বর্তমান উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির পেছনে যাদের ইন্দন রয়েছে তারা যেই হোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এ একাডেমি তিল তিল করে সকলের সহযোগিতায় আজ এ পর্যন্ত এসেছি। কারো ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলে কোন রকম অনিয়ম সহ্য করা হবে না। একাডেমির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. আবদুল গাফফার বলেন, প্রতিষ্ঠান নিয়ম অনুযায়ী চলবে। ভবিষ্যতে এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা হবে। এ ক্ষেত্রে যাদের স্বার্থে আঘাত লেগেছে তারাই পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকবৃন্দ বর্তমান উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির কারনে তারা তাদের ছেলে সন্তানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল একাডেমির অসুস্থ সিনিয়র শিক্ষক জাকির হোসেনের সাথে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. আব্দুল গাফফারের মোবাইলে কথোপকথনের এক পর্যায়ে অধ্যক্ষ ওই শিক্ষকের সাথে অশোভন আচরন করেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। এ পরিস্থিতিতে আরো বেশ কিছু শিক্ষক অধ্যক্ষের এ আচরনে ক্ষুব্ধ হন। এ খবর শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের একাংশ হঠাৎ করেই ক্লাস থেকে বেরিয়ে অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করে। এর পরপরই এ একাডেমির প্রাক্তন কিছু ছাত্র শিক্ষার্থীদের সাথে যোগ দিলে পরিস্থিতি মুহূর্তেই ঘোলাটে হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার শামছুন্নাহার পিপিএম ঘটনাস্থলে এসে অধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করে। একই সময় ছাত্রী শাখার কলেজ শিক্ষার্থীদের একাংশ ক্লাস বর্জন ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে। গতকাল ৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ক্লাস শুরু অনেক আগেই এসে বিদ্যালয় গেটে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা ক্লাস করতে আসা শিক্ষার্থীদেরকে ভিতরে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। এ পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী আতংকিত হয়ে বাড়ি ফিরে যায়। অভিভাবকদের দাবি বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরনে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।