আমি ফেলানীর কথা বলছি ।

Felaniএকই মানুষ জাতি নেই কোন ভেদাভেদ
শুনি কত শ্লোগান সবই যেন নিস্ফল মানবিক আহ্বান,
আহারে নিষ্ঠুর সীমান্ত রেখা
ক্ষুধার্ত আবেদন স্পর্শ করেনা
মূত্য দেহর ক্ষতবিক্ষত কিশোরী অমানবিক হত্যা করে যায়।
ও পারের নিষ্ঠুর সীমান্ত বি,এস এফ বাহিনী,
ঘুমন্ত বিশ্ববিবেক
আর কত দ্বীনহীনতা
শান্তির অনেষায় কাঁদে মানবতা।

প্রিয় পাঠক কবি শাহিনুরের লিখা এই কবিতার মতই আজ আমাদের বাস্তবতা, আজ পদধলিত মানবতা,আজ বিপন্ন বাংলার সীমান্তে বসবাসকারী মানুষের জীবন, লোভ লালসার কাছে বন্দি মানবাধীকারে হাত,পা আজ সবাই যগ্ম রাজনীতির নামে নষ্টামিতে,স্বার্থের কাছে মানুষের জীবন কিছুঁই না।হে আমার বাংলার জনগণ একটু ভেবে দেখুনতো ১৯৭১সালে পাকিস্তানের জানোয়ারদের সাথে নয় মাস সংগ্রাম করে, লাখো ভাইয়ের রক্ত আর লাখো বোনের ইজ্জতের বিনিময় পেয়েছি স্বাধীনতা,সেই দিনের প্রেক্ষাপটটা চিহ্ন ভিন্ন,আর আজ স্বাধীনতার ৪২ বছর ধরে ভারত আমাদের সীমান্তে বসবাসকারী মা,বাবা,ভাই,বোনকে পাখির মত গুলি করে মেরে চলেছে এটা কোন শ্বার্থের জন্য,ভারত বন্ধুত্বের নামে যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের যে সব জাগায় মূল্যবান ছিল, তা সবইতো দখল করে নিয়েছে, আজও তাঁর কাঁটার ভেড়া দিয়ে দখল করে চলছে।শান্তির নামে অশান্তি সৃষ্টি করছে। আমরা বাংলার মানুষ এদের কাছে নিরাপদ নই।যার স্বচিত্র আপনারা নিউজ পেপারে টেলিভিশন দেখছেন,কখনো গরু ব্যবসায়ী আটক,কখনো নিজের জমির ধান কাটতে গিয়ে কৃষক নিখোঁজ,কখনো বাড়ি ফেরার পথে মানুষটি গায়েব হয়ে যায়। কিছু দিন পরে ডোবা বা নর্দমাই মিলে মানুষের গলিতে লাশ,এত কিছুর পরে ও কেন আমাদের সরকার বা বিরোধীদলরা লোকের জড়াল কোন প্রতিবাদ করছেনা।জানিনা আর ফিচনে কার কই স্বার্থ জানিনা, বাংলার সাধারন মানুষ ও জানেনা। সর্বশেষ হৃদয় বিদারক যে ঘত্নাতি মানুষের মনে মানবতা জেগে উঠেছে তা হল আমার বোন আপনাদের বোন ফেলানীর হত্যা, যাকে হত্যা করে ভারতের বি, এস, এফ তাঁর কাঁটার সাথে ঝুলিয়ে রেখে ছিল,যা দেশ বিদেশী ভিবিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।বাংলাদেশের পক্ষথেকে বিচার হবে ভারতের আদালত তাঁকে ফাঁসীর কষ্টে ঝুল্বে।দেশ বিদেশী সবার মুখে তালা দিয়ে ফালানী হত্যাকারীর কোন শাষনকে হার মানালো।যে খানে একটি কুকুর হত্যার দ্বায়ে জেল, জরিমানা, এমনকি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হয়ে থাকে।সে খানে আমার বাংলার নারীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হল তাঁর কোন বিচার হল না।কোথাই আজ হিউম্যান ওইয়্যাচ হিউম্যান রাইটস?কোথায় বাংলাদেশের মানবাধিকার স্তস্থার কর্মকর্তা কর্মীরা,কোথাই স্ব শীল সমাজ কই কাউকেতো রাস্তায় নামতে দেখলাম না, কোথাই রাজনীতিবিদরা,যারা নিজেদের স্বার্থের জন্য রাস্তায় নেমে মিটিং মিছিল করতে করতে দেশ বেকার করে দেয়।আজ আমার বাংলার মানুষ হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখলো তাঁর কোন বিচার হল না।তাঁর জন্য কেঁউ রাস্তায় নামল না।হায়রে দেশ,হায়রে মানবতা,আজ ফালানীর বিচার হ্যনি,কাল দেশ দখল করে নিলেও কিছু হবেনা।ভারত আমাদের বন্ধু আমি আপনি মনে করে থাকি, আসলে ওরা আমাদের বন্ধু ভাবে কিনা তা দেখতে হবে। যদি বন্ধু ভাবতো তাহলেই ভারতের সরকার ঘোষনা দিলে বি, এস,এফের হাতে আমার বাংলার একটি মানুষও মরবে না,সরকারি ভাবে আমাদেরকে মিথ্যা প্রতিশ্রতি দিচ্ছে আর আইদিকে,বি এস, এফ দিয়ে মানুষ মেরে বাংলা দখল করছে।এক তরফা ভালবাসা হয়না, আমরা বাংলাদেশীরা ভারতকে একতরফা ভালবাসাছি যার ফলে ওরা আমাদের ভাই,বোনদের মেরে তাঁদের লাশ উপহার দিছে।এক কোথাই ভারত আজ যা করছে তা অঘোষিত যুদ্ধ মনে করে করছে। আমরা চাই আসলেই বন্ধুত্ব, তবে তা হতে হবে নিঃশাধ ভালবাসা, আমার আমাদের ফেলানী হত্যাকারীর বিচার চাই, দোষীর ফাঁসি চাই বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনে বিশ্বের দরবারে, জাতি সংঘের কাছে লিখিত ভাবে এই বিচার চাইতে পারে।বাংলার ১৬ কোটি মানুষ আশা করে ফেলানী হত্যার বিচার আমরা একদিন পাবো ইনশাল্লায়। আজোও যখন ফেলানীর কুলন্ত লাশের কথা মনে হয়ে তখন আতংক উঠি কবে কে কখন ফেলানীর মত মরতে হয়। আমরা হত্যা চাইনা আমরা শান্তি চাই। আমরা লাশ চাইনা বন্ধুত্ব চাই, আমি ফেলানী হত্যার বিচার চাই প্রিয় পাঠক নিশ্চয়ই আপনারা আমার সাথে একমত, তবে আর কোন ফেলানীর লাশ চাইনা,চাইনা কোন হত্যা সেই প্রত্যশাই আজ এই পযন্ত।

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়
সাংবাদিক ও নাট্যকার মানবাধিকার কর্মী