অ্যাডঃ আনোয়ার গাজী বহু মক্কেলদের ও ইউপি চেয়ারম্যানের স্ত্রীর দামী মোবাইল হাতিয়ে নেন

image_1111_40194
নিজস্ব প্রতিনিধি-
চাঁদপুরের বহুল বিতর্কিত আইনজীবী চিহ্নিত মাদকাসক্ত আনোয়ার গাজীর সীমাহীন অপকর্ম-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ, নিরীহ ও অসহায় মানুষের হৃদয় নিংড়ানো বোবাকান্নার অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে। তার জুলুম, অন্যায় ও অত্যাচারের হাত থেকে ভাতিজা, শিষ্য, শ্বশুরের বন্ধু, ক্ষমতাসীন দলের নেতা, অন্ধব্যক্তি, অসহায় রিক্সাচালক, ফুটপাতের দোকানদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা , নিরীহ মক্কেল, পিতৃতুল্য আইনজীবী, মহিলা আইনজীবী, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট কেউই রেহাই পায়নি। সেই সাথে মাদকসেবন, প্রতারণা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা, তার অপকর্মের প্রতিবাদ করলে আজগুবি ও ভিত্তিহীন অপবাদ দেয়া, চুরি, ছিনতাই, অর্থ আত্মসাৎ, মক্কেলদের এলোপাতাড়ি মারপিট, পুলিশের সামনেই পুলিশকে পিটানো, প্রকাশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি দেয়াসহ হেন অপরাধ নেই যা তিনি করেন না। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রীর পছন্দসই ৪০হাজার টাকা মূল্যের সখের মোবাইল সেটটি কৌঁশলে চুরি করাসহ আরও ১০/১২জন মক্কেলের অত্যাধুনিক মোবাইল সেট প্রতারণা করে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক হাতিয়ে নেয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনার খবর ফাঁস হয়ে সর্বত্র চাউর হয়ে পড়েছে।

শুধু তাই নয়, সে সাথে থলের বিড়ালের ন্যায় ধীরে ধীরে বেরিয়ে পড়ছে লোমহর্ষক সব ঘটনা। চিহ্নিত মাদকাসক্ত ও ব্যাপক বিতর্কিত অ্যাডঃ আনোয়ার গাজীর চেম্বার কাম টর্চার সেলে চাঁদপুর জেলা ও শহরের চিহ্নিত সব অপরাধীর দিনে-রাতে এমনকি গভীর রাত পর্যন্ত একাধিক মোটর সাইকেলযোগে অবাধে ব্যাপক আনাগোনার সুস্পষ্ট আলামত জেলার একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ পর্যায়ের সক্রিয় সদস্যরা অত্যন্ত গোপনে নিবিড় পর্যবেক্ষণে দীর্ঘদিন যাবৎ লক্ষ্য করে চলেছেন। তিনি তার গোটা চেম্বারটিকে গভীর রাত পর্যন্ত ফেন্সিডিল, গাঁজা, ইয়াবা, বিদেশী মদ, জুয়াসহ ব্যাপক অসামাজিক কার্যকলাপের ধূম-ধাড়াক্কা আখড়ায় পরিণত করেছেন। অসংখ্য সমাজবিরোধী চিহ্নিত অপরাধীদের গভীর রাত পর্যন্ত এলাকায় অবাধ বিচরণে ও মাদক সেবনে দিন-দিনই এলাকার যুবসমাজ মারাত্মকভাবে বিপথগামী হচ্ছে। ফলে সর্বস্তরের সচেতন এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ, মারাত্মক অসন্তোষ ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যে-কোন মুহূর্তে আবারও এলাকাবাসীর সাথে আনোয়ার গাজী ও তার সাঙ্গ পাঙ্গদের সাথে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের জোর আশঙ্কা রয়েছে। খবর সংশ্লিষ্ট একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রের।

16_8793

একটি সূত্র জানায়, চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা খান জাহান আলী কালু গত বছর একটি মামলার প্রয়োজনে অ্যাডঃ আনোয়ার গাজীর চেম্বারে আসেন। এ সময় তার মোবাইল ফোনে কল আসলে তিনি তার পাঞ্জাবীর পকেট থেকে মোবাইল সেটটি বের করে কথা বলেন। অত্যাধুনিক ও উন্নত মডেল সমৃদ্ধ মোবাইল সেটটির প্রতি নজর পড়ে আনোয়ার গাজীর। কথা শেষে তিনি তা পাঞ্জাবীর পকেটে রেখে দেন এবং তা লৰ্য করে ধুরন্ধর আনোয়ার গাজী মুহূর্তের মধ্যে বুঝে নেন কী করলে মোবাইল সেটটি তার হবে। তিনি চেয়ারম্যান সাহেবকে সামনে থেকে উঠে এসে একদম তার পাশের চেয়ারে বসতে বললেন। তিনি সরল মনে তার পাশে গিয়ে বসলেন। এরপর আনোয়ার গাজী ১মিনিটের কথা বলে তার শিষ্য পিচ্চি আনিছকে চোখের ইশারা দিয়ে চেম্বারের বাইরে নিয়ে গেলেন। সেখানে উভয়ের মধ্যে কী কথা হয়েছে তা চেয়ারম্যান সাহেব জানেন না। ২/৩মিনিট পর তারা চেম্বারে ফিরে আসেন। পিচ্চি আনিছ চেয়ারম্যান সাহেবের সামনে এসে তার সাথে মুখোমুখি হয়ে কথা বলতে থাকে। ‘আপনি দেখতে ঠিক আমার মামার মত, মামা আমাদেরকে খুব সাহায্য-সহযোগিতা করতেন, তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন, এখন আর কোন সহযোগিতা পাই না’-এ কথা-সেকথা বলতে থাকে। চেয়ারম্যান সাহেব গভীর মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনতে থাকেন এবং মাঝে মাঝে তিনিও কথা বলেন। বসা অবস্থায় পাঞ্জাবীর ঢিলে-ঢালা পকেটের ফাঁকে কৌঁশলে দুই আঙ্গুলের কারবারে মোবাইল সেটটি হাওয়া হয়ে যায়। কথা সেরে চেয়ারম্যান বাড়ি চলে যান এবং বাড়িতে গিয়ে পাঞ্জাবীর পকেটে হাত দিয়ে দেখেন মোবাইল সেট নেই। তার স্ত্রী রাগতস্বরে বলেন, সকালে তাড়াহুড়ো করে ভুলে তোমার মোবাইল সেটের পরিবর্তে আমার সখের মোবাইল সেটটি নিয়ে গেছো। আমি এত কথা শুনতে চাই না, আমাকে আমার মোবাইল সেট এনেই দিতে হবে। তৎক্ষণাৎ নিজের মোবাইল ফোন থেকে ফোন দিয়ে দেখেন মোবাইল বন্ধ। তখন মনে পড়ে শেষ কথা বলেন তিনি আনোয়ার গাজীর চেম্বারে। দ্রুত আবার তার চেম্বারে এসে দেখেন টেবিলের ওপর ৩টি মোবাইল সেটের মধ্যে তার স্ত্রীর মোবাইল সেটটিও রয়েছে। তিনি বার বার স্ত্রীর মোবাইল সেটের কথা বলা সত্ত্বেও আনোয়ার গাজী এ কথার কোন কর্ণপাত না করেই হঠাৎ করে বলে উঠেন, হ্যা, এটি আপনার স্ত্রীর মোবাইল সেট ছিল, আপনি তা আপনার স্ত্রীর কাছ থেকে চুরি করে এনে আমার কাছে বিক্রি করেছেন অর্ধেক দামে অর্থাৎ ২০হাজার টাকায়। এ কথা বলার সাথে সাথে তার ৭/৮জন মুহুরি একযোগে সাক্ষী দেয়া শুরু করলো, হ্যা, তাইতো আপনি অ্যাডভোকেট সাহেবের কাছে বিক্রি করেছেন এবং গুণে গুণে ৪০টি পাঁচশ’ টাকার নোট নিয়ে চলে গেছেন। আমরা সবাই তার চাক্ষুষ স্বাক্ষী। চতুর আনোয়ার গাজী আবার হঠাৎ বলে বসলেন ‘ডিবি’র কালা মামুনকে খবর দে, এই শালায় আমার মোবাইল সেট চুরি করেছে, শালাকে জেলে ঢুকাবো’। উপস্থিত সাঙ্গপাঙ্গদেরও একই রা। শেষে মানসম্মানের ভয়ে চেয়ারম্যান সাহেব স্ত্রীর মোবাইল সেট না নিয়েই চলে আসতে বাধ্য হন। সখের মোবাইল সেটের জন্য তার স্ত্রী আজও আনোয়ার গাজীকে আল্লাহর দরবারে অভিশাপ দেন। একথা চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন এলাকার কয়েকশ’ লোক অবগত আছেন।

সূত্র জানায়, ওই একই পদ্ধতিতে এবং জোর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতারণাপূর্বক মামলার ১০/১২জন মক্কেলের কাছ থেকে আনোয়ার গাজী দামী দামী মোবাইল সেট হাতিয়ে নেন। এদের মধ্যে রয়েছেন মতলবের সিরাজ বিএসসি’র আপন ভাগিনা শিপন খান, বর্তমানে সৌদি প্রবাসী ফরিদগঞ্জের হারুন, বাবুরহাট কল্যান্দি গ্রামের মিজান, হাজীগঞ্জ নাসিরকোর্ট এলাকার ফকরুল, ফরিদগঞ্জের বৃদ্ধ আব্দুর রব ডাক্তার, হাজীগঞ্জ কৈয়ারপুল এলাকার মজিব, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২জন বিজ্ঞ আইনজীবীসহ আরো অনেকে। এছাড়া নিরীহ অনেক মানুষই তার চেম্বারে গিয়ে মোবাইল সেট খুইয়েছেন। চাঁদপুরের ইতিহাসে এত অধিক সংখ্যক ৫বার জেলহাজত খাটার কোন নজির আনোয়ার গাজী ছাড়া আর কারও নেই। বিশ্ব ইজতেমায় গিয়েও তিনি তার খাছালত এতটুকু বদলাতে পারেননি। বিলাসবহুল চেম্বার ও পালপাড়ার আলিশান বাড়িতে একাধিক এসি লাগিয়ে ভোগ-বিলাসে জীবন-যাপনকারী অ্যাডঃ আনোয়ার গাজী ফেন্সিডিলের নেশায় এতই বুঁদ হয়ে থাকেন যে, অসুস্থ ও বৃদ্ধ মায়ের জন্য ১কেজি আপেল কেনারও কোনো সময় পান না।

সূত্র আরও জানায়, বিতর্কিত আইনজীবী আনোয়ার গাজীর লাঞ্ছনার হাত থেকে চাঁদপুরের বিজ্ঞ মহিলা আইনজীবীরাও কোন রেহাই পাননি। এঁরা হলেনঃ আইনজীবী কোহিনুর রশিদ ও আইনজীবী রেহানা আক্তার কচিসহ আরও ক’জন। তার হাত থেকে পিতৃতুল্য আইনজীবিরাও রেহাই পাননি। এঁরা হচ্ছেন আইনজীবী ফজলুল হক সরকার, মরহুম আইনজীবী আব্দুল মান্নান পাটোয়ারী, আইনজীবী মোঃ আব্দুল জলিল, আইনজীবী নাসির উদ্দিন আহম্মেদসহ বেশ ক’জন আইনজীবী। এছাড়া তার হাতে আরও যাঁরা লাঞ্ছিত হয়েছেন তাঁরা হলেন : আইনজীবী আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম, আইনজীবী আহছান হাবীব, আইনজীবী সেলিম আকবর, আইনজীবী দুলাল গাজী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিনিধি আইনজীবী হেলাল উদ্দিন, আইনজীবী আব্দুল হান্নান কাজীসহ আরও বেশ ক’জন আইনজীবী। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, অ্যাডঃ আনোয়ার গাজী বিভিন্নসময় চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ নেতাদের সাথেও চরম দুর্ব্যবহার করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর চাঁদপুর পৌরসভার মেয়রের কক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র ও প্রভাবশালী নেতাকে আনোয়ার গাজী যেভাবে অপমান-অপদস্থ করেন তাতে মনে হয়েছে তিনি দেশের প্রচলিত সকল আইনের ঊর্ধ্বে । এমনকি ষোলঘর এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের দু’প্রভাবশালী নেতার ক্রয়কৃত প্রায় ৫০কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৭একর শত্রু সম্পত্তিতে দলবল নিয়ে আনোয়ার গাজী ১কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার সুস্পষ্ট সাক্ষ-প্রমাণ রয়েছে। চাঁদপুর শহরে পুলিশের জনৈক ডিআইজির শ্বশুরের জায়গায় সরকারিভাবে রাসত্দা করার সময় আনোয়ার গাজী জনৈক সিনিয়র আইনজীবীর নামে ব্ল্যাকমেইলিং করে মোবাইলে ভয়ভীতি দেখিয়ে মারাত্মক প্যাচ লাগিয়ে ভয়াবহ শত্রুতা উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। তিনি তার এক মুহুরির স্ত্রীর চিকিৎসার বিল বাবদ ১২হাজার টাকার স্থলে জোরপূর্বক ৪হাজার টাকা নিতে বাধ্য করেন শহরের পদ্মা হাসপাতালের মালিক ডাঃ মোঃ ছফিউল্লাহকে।

‘৯৬তে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আনোয়ার গাজী তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক চাঁদাবাজি করতে গিয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের যৌথ পাল্টা ধাওয়া খেয়ে জীবন নিয়ে ফিরে আসেন। এছাড়া আলী বাবা ৪০চোররূপী কুখ্যাত দেলু জনৈক প্রভাবশালী আইনজীবীর ৬৫টি মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রসহ গোটা ৬৫টি ফাইল চুরি করে আনোয়ার গাজীর হাতে এনে দিলে আলাদীনের চেরাগের ন্যায় রাতারাতি লাখ লাখ টাকায় লাভবান হয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে ফুলে ফেঁপে ওঠেন।

অপর একটি সূত্র জানায়, একাধিক গোয়েন্দা বিভাগের (শক্তিশালী গোপন তালিকা অনুযায়ী) নির্ভরযোগ্য সূত্র মোতাবেক মাদকদ্রব্য ও জুয়াসহ অসামাজিক কার্যকলাপে ভরপুর আনোয়ার গাজীর চেম্বার কাম টর্চার সেলে চাঁদপুর জেলা ও শহরের অনেক কুখ্যাত ও চিহ্নিত অপরাধী নিয়মিতভাবে গভীর রাত পর্যন্ত আসা-যাওয়া সাপেক্ষে অবস্থান করে। আবার এদের মধ্যে কেউ কেউ টপটেরর ও শীর্ষ সন্ত্রাসী রয়েছে। এছাড়া অনেক সমাজবিরোধী দূষ্কৃতকারী , জেলখাটা দাগী আসামী, সুশীল সমাজ কর্তৃক ব্ল্যাকলিস্টেড অপরাধী ও কথিত সমাজসংস্কাররূপী প্রতারকসহ নানা কিসিমের অপরাধীরা এখানে নিয়মিতভাবে গভীর রাত পর্যন্ত আনাগোনা করে। এদের মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শেরেবাংলা ছাত্রাবাসে পুলিশের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক ও দীর্ঘদিন জেলখাটা কুখ্যাত ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ, মাদকসেবী ও সন্ত্রাসী কয়েজ, নারী-শিশু নির্যাতন ও যৌতুক বিরোধী মামলা-চাঁদাবাজি ও প্রতারণা মামলায় একাধিকবার দীর্ঘদিন যাবৎ জেলখাটা চিহ্নিত অপরাধী চোরা মইজ্জা, স্থানীয় প্রশাসন ও সুশীল সমাজের ব্ল্যাকলিস্টেড অপরাধী কালাবাবু, শহরের অসংখ্য লোকের সাথে প্রতারণাকারী চিহ্নিত চাঁদাবাজ লুঙ্গি মোস্তফা, ফরিদগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী কিলার মাসুদসহ অসংখ্য চিহ্নিত সমাজবিরোধী অপরাধী। জীবদ্দশায় দেশের টপ টেরর শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নানও বিতর্কিত আইনজীবী আনোয়ার গাজীর চেম্বার কাম টর্চার সেলে মাঝে মাঝে আসার নজির রয়েছে।

এদিকে গত পরশু শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সচেতন চাঁদপুরবাসীর পৰ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা.দীপু মনি এমপি’র হাতে দৈনিক চাঁদপুর কন্ঠ পত্রিকার কপি তুলে দেয়া হয়। মন্ত্রী মহোদয় চাঁদপুরের বিতর্কিত আইনজীবী আনোয়ার গাজীর সংক্ষিপ্ত আমলনামার সচিত্র প্রতিবেদন পড়ে অত্যন্ত খেদোক্তি প্রকাশ করে বলেন, সে তো পূর্ব থেকেই খারাপ। এ সময় স্থানীয় দৈনিক ও জাতীয় দৈনিক এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।